📌 বরিশালের বিমানবন্দর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা ডোপ টেস্টের ভয়ে থানার জিম্মায় থেকে পালিয়ে যায়। একই সময়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক আড্ডায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা সহ চারজনকে আটক করে। অন্যদিকে বগুড়ায় শিশু ধর্ষণের দায়ে একজনকে ৬০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বরিশালের বিমানবন্দর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা ডোপ টেস্টের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় থানার জিম্মায় থেকে পালিয়ে যায়। এএসআই দেলোয়ার হোসেনকে ডোপ টেস্ট করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল, তখনই তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, কর্মকর্তার পালানোর ঘটনাটি সত্য। এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মিরাজ হাওলাদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা সহ চারজনকে আটক করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশালের বিমানবন্দর থানার এএসআই দেলোয়ার হোসেন ডোপ টেস্টের ভয়ে থানার জিম্মায় থেকে পালিয়ে যায়
- 📌 মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মিরাজ হাওলাদারের বাড়িতে অভিযানে পুলিশ কর্মকর্তা সহ চারজনকে আটক করে
- 📌 অভিযানে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়
- 📌 আটকদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মকর্তা, একজন বাড়ির মালিক মিরাজুল ইসলাম (৩৪), নাহিদ হাসান (২৬) ও এক নারী (৩০)
- 📌 বগুড়ায় শিশু ধর্ষণের দায়ে নুর ইসলাম (৪০)কে ৬০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
বরিশালের বিমানবন্দর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেনকে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মিরাজ হাওলাদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। অভিযানকালে দেলোয়ার টিনের ওপর লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরে তাকে বিমানবন্দর থানায় খবর দেওয়া হয়। বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক শাহাবুদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেলোয়ারকে জিম্মায় নেওয়ার পর অন্যদের আটক করে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। অভিযানে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের সময় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, মিরাজ হাওলাদারের বাড়িতে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের তথ্য পাওয়ার পর সকাল সাড়ে ছয়টায় বাড়িটি ঘেরাও করা হয়। স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে অভিযানকারী দল নির্দিষ্ট ঘরে প্রবেশ করে। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার সহ মিরাজুল ইসলাম (৩৪), নাহিদ হাসান (২৬) ও এক নারী (৩০) আটক করা হয়।
অন্যদিকে, বগুড়ায় শিশু ধর্ষণের দায়ে নুর ইসলাম (৪০)কে পৃথক দুটি মামলায় ৩০ বছর করে ৬০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে।
"এএসআই দেলোয়ারকে ডোপ টেস্ট করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। সুযোগ বুঝে সে থানা থেকে পালিয়ে গেছে। সম্ভাব্য সব স্থানে তাকে খোঁজাখুঁজি করা হচ্ছে।"
"মিরাজ হাওলাদারের বাড়িতে মাদক কেনাবেচা, সেবন ও আড্ডা হয়—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল (বিমানবন্দর থানা, মিরাজ হাওলাদারের বাড়ি), বগুড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এএসআই দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (ওসি), মো. জাহিদুল ইসলাম, নুর ইসলাম (৪০), মিরাজুল ইসলাম (৩৪), নাহিদ হাসান (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর (কারাদণ্ড), ৩০ বছর (প্রতিটি মামলায়), ১ লাখ টাকা (জরিমানা), ৩ সহযোগীসহ, ৪ জন আটক, ৩৪, ২৬, ৩০, ৪০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!