📌 পুলিশের ত্রুটি ও বিভ্রান্তির কারণে ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে পালিয়ে যাওয়া পিচ্চি রাজাকে আট দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয় এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার স্থান নিয়ে পুলিশের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে
পুলিশের ত্রুটি ও বিভ্রান্তির কারণে ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে পালিয়ে যাওয়া পিচ্চি রাজাকে আট দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় পিচ্চি রাজা প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে যান। ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পালিয়ে যাওয়ার স্থান নিয়ে পুলিশের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুলিশের ত্রুটি ও বিভ্রান্তির কারণে পিচ্চি রাজাকে আট দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি
- 📌 পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে
- 📌 উপপরিদর্শক (এসআই-এবি) প্রবীর কুমার ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 পালিয়ে যাওয়ার স্থান হিসেবে গাজীপুরের কাশিমপুরের পরিবর্তে ঢাকার তাঁতীবাজার উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 পাঁচ পুলিশ সদস্যের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঠিক বিবরণ পাওয়া যায়নি
- 📌 পুলিশের অভিযান চলছে, কিন্তু পিচ্চি রাজার সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৩০ আসামিকে ঢাকার আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় পিচ্চি রাজা (৩০) প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে। আদালতের কার্যক্রম শেষে রাতে তাঁদের কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় পিচ্চি রাজা শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে উপপরিদর্শক (এসআই-এবি) প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন, কনস্টেবল মো. সাকিব, কনস্টেবল শাকিল হোসেন ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেন।
পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান উপপুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি) মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম জানান, পাঁচ পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, কিন্তু তাঁরা সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না। পালিয়ে যাওয়ার স্থান নিয়ে পাঁচ পুলিশ সদস্য একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছিলেন পিচ্চি রাজা গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছেন, কিন্তু তদন্তে সেটি সঠিক নয় বলে উঠে এসেছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে, পিচ্চি রাজা ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকে পালিয়েছেন।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, প্রিজন ভ্যান কারাগার থেকে আদালত এবং আদালত থেকে কারাগারের মধ্যে কোথাও থামার সুযোগ নেই। বড় কোনো বিপদ হলে নিকটবর্তী থানায় থামাতে হবে। কিন্তু পাঁচ পুলিশ সদস্য যে স্থানে প্রিজন ভ্যান থামানোর কথা বলছেন, সেখানে থামানোর প্রশ্নই ওঠে না। তিনি আরও বলেন, পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ কমিটির কাজ শেষ হলে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। এরপর বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম শুরু হবে।
"সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁরা সঠিক কোনো তথ্য দিচ্ছেন না। আসামি কোন স্থান থেকে পালিয়ে গেছেন, তা নিয়েও তাঁরা একেক সময় একেক কথা বলছেন। যে স্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেটিও সঠিক নয় বলে আমরা জানতে পেরেছি।"
— উপপুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি) মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার তাঁতীবাজার, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিচ্চি রাজা (৩০), উপপরিদর্শক প্রবীর কুমার, নায়েক কামাল হোসেন, মো. ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আসামি, ৫ পুলিশ সদস্য, ২ গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!