📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আদালত থেকে পালানোর ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন: খুন আসামির দ্বিতীয় পালানোর ঘটনা

আদালত থেকে পালানোর ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন: খুন আসামির দ্বিতীয় পালানোর ঘটনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার আদালত থেকে পালানোর ঘটনায় খুন আসামি শরিফুল ইসলামের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল আবদুল আলিমকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আসামির বাড়ি দিনাজপুরে, তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা রয়েছে

ঢাকার আদালত থেকে পালানোর ঘটনায় খুন আসামি শরিফুল ইসলামের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল আবদুল আলিমকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আদালত থেকে পালানোর ঘটনায় খুন আসামি শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • 📌 নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল আবদুল আলিমকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
  • 📌 তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার নাসিরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মেহেদী হাসান এবং পুলিশ পরিদর্শক মো. জসীম।
  • 📌 আসামি শরিফুল ইসলামের বাড়ি দিনাজপুরে, তার বাবার নাম শফিক আহমেদ। তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা রয়েছে।
  • 📌 এই আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা হয়েছিল এবং তিনি ছয় বছর কারাগারে ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় আসামি শরিফুল ইসলামকে (২৮) আনা হয়েছিল। কনস্টেবল আবদুল আলিম তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে ৭ নম্বর বিচারিক আদালতের এজলাসের কাঠগড়ায় শিকলের সঙ্গে আটকে রাখেন। এরপর তিনি আসামিকে এজলাসের সামনের বারান্দায় নিয়ে যান। বারান্দা থেকে ফিরে আসার সময়, আনুমানিক দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে আবদুল আলিম দেখেন শরিফুল কাঠগড়ায় নেই। তাঁর হাতকড়াটি কাঠগড়ার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলছে। কনস্টেবল বুঝতে পারেন, আসামি বারান্দায় থাকার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন।

মামলায় বাদী হয়ে মোরশেদ আলম উল্লেখ করেছেন, আসামি পালানোর বিষয়টি জানার পর আবদুল আলিম তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। তবে হাজতখানার পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশের সহায়তায় খোঁজাখুঁজি করেও আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরে। তার বাবার নাম শফিক আহমেদ। খিলগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রয়েছে।

২০২৫ সালের ১৯ জুন শরিফুল কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন তিনি পুলিশের এক সদস্যকে কামড় দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যান। ঘটনার পর পুলিশ জানায়, ২০১৮ সালে শরিফুলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলাটি হয়েছিল। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ছয় বছর কারাগারে ছিলেন। ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর ফেনী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পর থেকে তিনি আবার কারাগারে ছিলেন।

"দণ্ডবিধির ২২৪ ধারায় করা ১৭(৬)২৫ নম্বর মামলার হাজতি আসামি মো. শরিফুল ইসলামকে (২৮) মঙ্গলবার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কনস্টেবল মো. আবদুল আলিম তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে ৭ নম্বর বিচারিক আদালতের এজলাসের কাঠগড়ায় শিকলের সঙ্গে আটকে রাখেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (কোতোয়ালি থানা, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, সিএমএম আদালত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরিফুল ইসলাম (২৮), আবদুল আলিম, মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল, মোরশেদ আলম, শফিক আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২৪ (ধারা), ১৭(৬)২৫ (মামলা নম্বর), ২৮ (বয়স), ১০ (টা), ৭ (বিচারিক আদালত নম্বর), ১২:২৭ (দুপুর), ১৯ (জুন), ৬ (বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖