📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিরোজপুরে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার পর আ.লীগ নেতা বিবস্ত্র করে পিটানোর অভিযোগ

পিরোজপুরে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার পর আ.লীগ নেতা বিবস্ত্র করে পিটানোর অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় জমি মামলায় সাক্ষী হওয়ার পর ৬০ বছর বয়সী আনসার আলীকে আ.লীগ নেতা আবুল বাশার ও তার জামাতা বিবস্ত্র করে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। আহত ব্যক্তিকে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে যান

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে জমি মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার পর ৬০ বছর বয়সী আনসার আলীকে আ.লীগ নেতা মো. আবুল বাশার ও তার জামাতা আশিক বিবস্ত্র করে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে এবং আহত ব্যক্তিকে স্থানীয়রা নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় জমি মামলায় সাক্ষী হওয়ার পর ৬০ বছর বয়সী আনসার আলীকে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়
  • 📌 অভিযোগ: আবুল বাশার ও তার জামাতা আশিক আনসার আলীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন
  • 📌 আনসার আলী বলেন, ওসমান গনি ও আবুল বাশারের মধ্যে জমি নিয়ে মামলায় তিনি সাক্ষী হওয়ায় মারধর করা হয়
  • 📌 আবুল বাশার নিজে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আনসার আলী তাকে ধাক্কা দিয়েছিলেন
  • 📌 কাটাখালী ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আবুল বাশার আ.লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি

📰 বিস্তারিত

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে জমি মামলায় সাক্ষী হওয়ার পর ৬০ বছর বয়সী আনসার আলীকে আ.লীগ নেতা মো. আবুল বাশার ও তার জামাতা আশিক বিবস্ত্র করে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। আহত আনসার আলীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আনসার আলী কাটাখালী গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাটাখালী গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য ওসমান গনি ও আবুল বাশারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধের মামলায় আনসার আলীকে সাক্ষী করা হয়। মামলাটি বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আনসার আলীর অভিযোগ, গত ২৫ সেপ্টেম্বর আবুল বাশার তাঁকে আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দিতে নিষেধ করেন এবং ভয়ভীতি দেখান। তবে তিনি সাক্ষ্য দেন। এর জের ধরে শুক্রবার দুপুরে কাটাখালী বাজারের কাছে রাস্তায় তাঁকে দেখে আবুল বাশার ও তাঁর জামাতা আশিক মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে বিবস্ত্রও করা হয় বলে অভিযোগ করেন আনসার আলী।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনসার আলী বলেন, ‘ওসমান গনি ও আবুল বাশারের মধ্যে জমি নিয়ে মামলা চলছে। ওই মামলায় সাক্ষী হওয়ার কারণেই কাটাখালী গ্রামের আ.লীগের সভাপতি আবুল বাশার ও তাঁর জামাতা আমাকে মেরেছেন।’ মামলার বাদী ওসমান গনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের কাছ থেকে আবুল বাশার গোপনে একটি জমির দলিল করে নেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি পিরোজপুর আদালতে টাকা দাখিল করি। ওই মামলার সাক্ষী আনসার আলী। বাশার তাঁকে সাক্ষ্য না দিতে নিষেধ ও ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন। তিনি সাক্ষ্য দেওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয়েছে।’

অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল বাশার বলেন, ‘শুক্রবার বাজারে বসে থাকার সময় আনসার পেছন থেকে এসে আমাকে ধাক্কা দেন। এ নিয়ে আমাদের দুজনের মধ্যে একটু হাতাহাতি হয়েছে।’ দলীয় পদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি আ.লীগের সভাপতি নন, তবে দলটিকে সমর্থন করেন। কাটাখালী ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ওসমান গনি ও আবুল বাশারের মধ্যে জমি নিয়ে মামলা চলছে। ওই মামলায় আনসার সাক্ষী। এ কারণেই তাঁকে আবুল বাশার মারধর করেছেন বলে তিনি শুনেছেন। তাঁর দাবি, আবুল বাশার আ.লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি।

"আমার ভাইয়ের কাছ থেকে আবুল বাশার গোপনে একটি জমির দলিল করে নেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি পিরোজপুর আদালতে টাকা দাখিল করি। ওই মামলার সাক্ষী আনসার আলী। বাশার তাঁকে সাক্ষ্য না দিতে নিষেধ ও ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন। তিনি সাক্ষ্য দেওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয়েছে।" — ওসমান গনি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কাটাখালী গ্রাম, বলদিয়া ইউনিয়ন, নেছারাবাদ উপজেলা, পিরোজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনসার আলী (৬০), মো. আবুল বাশার, ওসমান গনি, মো. রফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর বয়সী আনসার আলী, ২৫ সেপ্টেম্বর, ১ নম্বর ওয়ার্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖