📌 'পিচ্চি রাজা' ৩০টি মামলার আসামি হিসেবে ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁতীবাজার থেকে পালিয়ে গেলেন, যা পুলিশের পূর্বে জানানো গাজীপুরের তথ্যের বিপরীতে। পুলিশের তদন্তে জড়িত পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে
‘পিচ্চি রাজা’ ৩০টি মামলার আসামি হিসেবে ঢাকা জেলা জজ আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশের তদন্তে নতুন তথ্য উন্মোচিত হয়েছে: তিনি গাজীপুরের বাইমাইল থেকে নয়, ঢাকার পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার থেকেই পালিয়ে গেছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের পাঁচজন সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘পিচ্চি রাজা’ তাঁতীবাজার থেকে পালিয়ে গেলেন, যা পুলিশের পূর্বে জানানো গাজীপুরের তথ্যের বিপরীতে
- 📌 পুলিশের তদন্তে প্রিজন ভ্যানের ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার ও চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা ও হাজতি আসামি খাইরুল বাশারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 কামাল হোসেনের বাড়ি থেকে ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে যাচ্ছিলেন ‘পিচ্চি রাজা’
- 📌 পুলিশের দাবি, ‘পিচ্চি রাজা’ এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা জজ আদালত থেকে ২৯ জন আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে যাচ্ছিলেন ‘পিচ্চি রাজা’। কিন্তু পথে তাঁতীবাজারের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে প্রিজন ভ্যান থামে। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার চালক নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নেন। এরপর তিনি ‘পিচ্চি রাজা’ ও হাজতি আসামি খাইরুল বাশারকে ভ্যান থেকে নামিয়ে সামনের দিকে নিয়ে যান। খাইরুল বাশার চালকের পাশের আসনে বসেন। এ সময় ‘পিচ্চি রাজা’ ও এসআই প্রবীর ভ্যানে ওঠেননি। পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, সেখানেই অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে করে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যান।
পুলিশের দাবি, পরে এসআই প্রবীর রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের কথিত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রিজন ভ্যানে ওঠেন এবং স্কট পার্টির সদস্যদের নিয়ে ‘পিচ্চি রাজার’ পালানোর বিষয়ে এজাহারে বর্ণিত ঘটনাটি সাজান। পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, বিভিন্ন সাক্ষ্য, আলামত ও তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে ‘পিচ্চি রাজার’ বোন তাসলিমা, এসআই প্রবীর কুমার ও নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন এসআই প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন, মো. সাকিব, শাকিল হোসেন এবং প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ‘পিচ্চি রাজা’ এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি এবং গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
"২৯ জন আসামিকে নিয়ে ঢাকা জেলা জজ আদালত থেকে কাশিমপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর প্রিজন ভ্যানটি তাঁতীবাজারের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে থামে। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার চালক নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নেন। এরপর তিনি পিচ্চি রাজা ও হাজতি আসামি খাইরুল বাশারকে ভ্যান থেকে নামিয়ে সামনের দিকে নিয়ে যান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার তাঁতীবাজার, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ‘পিচ্চি রাজা’, এসআই প্রবীর কুমার, নায়েক কামাল হোসেন, তাসলিমা, খাইরুল বাশার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি মামলা, ২৯ জন আসামি, ৬০ হাজার টাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!