📌 ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালত থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফেরার পথে বিস্ফোরক মামলার আসামি পিচ্চি রাজা (৩০) শৌচাগারের কথা বলে পালিয়ে গেছেন। রাত সাড়ে আটটায় বাইমাইল এলাকায় ঘটনা ঘটে। ৩০ জন আসামির মধ্যে তিনি একমাত্র পালিয়ে যান
ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালত থেকে ফেরার পথে বিস্ফোরক মামলার আসামি পিচ্চি রাজা (৩০) শৌচাগারের কথা বলে পালিয়ে গেছেন। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও কারাগার সূত্রে জানা যায়, আসামিকে আদালতে হাজির করার পর ফেরার পথে শৌচাগারের কথা বলে তিনি পালিয়ে যান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালত থেকে ফেরার পথে বিস্ফোরক মামলার আসামি পিচ্চি রাজা (৩০) পালিয়ে গেছেন
- 📌 রোববার রাত সাড়ে আটটায় গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় ঘটনা ঘটে
- 📌 শৌচাগারের কথা বলে চিৎকার করে পুলিশের নজরে আসার পর পালিয়ে যান
- 📌 ৩০ জন আসামির মধ্যে তিনি একমাত্র পালিয়ে যান, বাকি ২৯ জন কারাগারে পাঠানো হয়
- 📌 পুলিশ ও কারাগার কর্তৃপক্ষ খোঁজখবর নিচ্ছে
📰 বিস্তারিত
প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৩০ জন আসামিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের কাজ শেষে আসামিদের ফেরার পথে আসামি পিচ্চি রাজা শৌচাগারের কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। আসামি বহনকারী গাড়িটি রাত সাড়ে আটটায় বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে সঙ্গে থাকা এসআই তাঁকে শৌচকর্মের জন্য নিচে নামান। এ সময়ই তিনি কৌশলে পালিয়ে যান।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান জানান, ‘ঢাকা আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে আনার পথে একজন বন্দী পালিয়ে গেছেন। তিনি টয়লেটে চাপ দিয়েছে বলে চিৎকার করছিলেন। পরে তাঁকে টয়লেট করানোর জন্য নিচে নামানো হলে তিনি পালিয়ে যান। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১-এর জেলার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাদের কারাগারে বন্দী রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে রোববার আদালতে নেওয়া হয়। আদালত থেকে ফেরার পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় বন্দী ছিলেন।’
"আমাদের কারাগারে বন্দী রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে রোববার আদালতে নেওয়া হয়। আদালত থেকে ফেরার পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি পালিয়ে গেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের বাইমাইল এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিচ্চি রাজা (৩০), মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, জাহাঙ্গীর আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন আসামি (আনা), ২৯ জন আসামি (কারাগারে পাঠানো), ১৯ মে (গ্রেপ্তার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!