📌 ফরিদপুর পিবিআই 'জিনের বাদশা' ও 'তান্ত্রিক কবিরাজ' পরিচয়ে প্রতারণা চালানোর মামলায় গ্রেপ্তার করেছে দুই সদস্যকে। ২০২৪ সালের প্রতারণা মামলার তদন্তে আট মাস পর শনাক্ত ও গ্রেপ্তার হয় সুমন হাওলাদার (২৬) ও রাজিব মিয়া (২৮)। তারা বিকাশ-নগদ থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রতারিত করেছিল
ফরিদপুর পিবিআই 'জিনের বাদশা' ও 'তান্ত্রিক কবিরাজ' পরিচয়ে প্রতারণা চালানোর মামলায় গ্রেপ্তার করেছে দুই সদস্যকে। গত সোমবার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট বাজারের আশপাশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সুমন হাওলাদার (২৬) ও রাজিব মিয়া (২৮)। এই প্রতারণা চক্রের সদস্যরা ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর এক ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রতারিত করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিবিআই গ্রেপ্তার করে প্রতারণা চক্রের ২ সদস্য: সুমন হাওলাদার (২৬) ও রাজিব মিয়া (২৮)
- 📌 'জিনের বাদশা' ও 'তান্ত্রিক কবিরাজ' পরিচয়ে প্রতারণা চালাতেন তারা
- 📌 ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর রশিদুল ইসলামকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রতারিত করেছিল
- 📌 বিজয় বাবুর ফোন নম্বর ক্লোন করে প্রতারকরা ফাঁদ বাঁধতেন
- 📌 সারা দেশে এই চক্রের নেটওয়ার্ক রয়েছে, পাঁচ সদস্য কাজ করতেন
- 📌 শারীরিক প্রতিবন্ধী সুমন বিকাশের ক্যাশআউট পয়েন্ট থেকে প্রতারণার টাকা সংগ্রহ করতেন
- 📌 গ্রেপ্তারের পর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন দুজন
📰 বিস্তারিত
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাজবাড়ী সদর থানায় দায়ের একটি প্রতারণা মামলার তদন্তে এই চক্রটি শনাক্ত হয়। মামলাটি করেন রাজবাড়ী সদর থানার বিনোদপুর এলাকার চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম। তিনি জানান, ২৫ মার্চ বিজয় বাবু নামে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর ফোন নম্বর ক্লোন করে প্রতারকরা তাঁকে ফাঁদে ফেলে। তারা বিকাশ ও নগদ নম্বরে ৩৩ টন চাল বিক্রির কথা বলে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রতারিত করেছিল।
পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, প্রতারকরা বিভিন্ন উপায়ে ভুক্তভোগীদের আতঙ্কিত করতেন। কখনো 'জিনের বাদশা' পরিচয়ে গভীর রাতে ফোন করতেন, কখনো 'তান্ত্রিক কবিরাজ' হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতেন। তারা ভুক্তভোগীদের মনে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে বিকাশ-নগদ থেকে টাকা প্রতারিত করতেন।
পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) মাজিদুল হক খান জানান, এই চক্রের পাঁচ সদস্য রয়েছে। সুমন হাওলাদার শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং বিকাশের ক্যাশআউট পয়েন্ট থেকে প্রতারণার টাকা সংগ্রহ করতেন। অন্যরা ভুক্তভোগীদের তথ্য সংগ্রহ করতেন। গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সুমনকে শনাক্ত করা হয় এবং গত সোমবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় রাজিব মিয়াকে।
"কখনো জিনের বাদশা পরিচয়ে গভীর রাতে ফোন করতেন, কখনো তান্ত্রিক কবিরাজ হিসেবে বিজ্ঞাপন দিতেন। ভুক্তভোগীদের আতঙ্কিত করে টাকা প্রতারিত করতেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর পিবিআই কার্যালয়, ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা কুঞ্জেরহাট বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমন হাওলাদার (২৬), রাজিব মিয়া (২৮), পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, উপপরিদর্শক মাজিদুল হক খান, রশিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ বছর (সুমন), ২৮ বছর (রাজিব), ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ৩৩ টন চাল, ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ, ১৬৪ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!