📌 ফটোসাংবাদিক বাদল দাসকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতেনাতে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার থেকে নিখোঁজ থাকা বাদল দাসের বন্ধু সুজিত শেখ বাবু পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। বাদল দাসের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি গত বুধবার রাতে কারাগারে পাঠানো হয়
ফটোসাংবাদিক বাদল দাসকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতেনাতে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার মতিঝিল এলাকায় বাদল দাসসহ আরও ছয় থেকে সাত জনকে হাতেনাতে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। বাদল দাসের বন্ধু সুজিত শেখ বাবু পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর এই ঘটনাটি নিশ্চিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাদল দাসকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতেনাতে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক ছিলেন।
- 📌 বাদল দাসের বন্ধু সুজিত শেখ বাবু পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন, কারণ সোমবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বাদল দাসের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তার বসবাসের কক্ষেই ছিল। তবে নিখোঁজের পর একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ডিবি হেফাজতে থাকার খবর পেয়েছিলেন তার রুমমেট।
- 📌 মো. শফিকুল ইসলাম, ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, জানান, বাদল দাসসহ আরও ছয় থেকে সাত জনকে হাতেনাতে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
- 📌 বাদল দাসের বাসস্থান ছিল ঢাকার গুলিস্তানে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে। তিনি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার বাসিন্দা বাসু দেব দাসের ছেলে ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গত মঙ্গলবার মতিঝিল এলাকায় ফটোসাংবাদিক বাদল দাসসহ আরও ছয় থেকে সাত জনকে হাতেনাতে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে তাদের।
বাদল দাসের বন্ধু সুজিত শেখ বাবু জানিয়েছেন, সোমবার থেকে বাদল দাস নিখোঁজ ছিলেন। তিনি পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানিয়েছেন, বাদল দাসের নিখোঁজের বিষয়ে থানায় একজন সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে কাজ করছেন।
বাদল দাসের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তার বসবাসের কক্ষেই ছিল। তবে নিখোঁজের পর একটি অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয়েছিল যে, তিনি ডিবি হেফাজতে রয়েছেন। তার রুমমেট ফটোসাংবাদিক শেখ বাবু মতিঝিল থানা এবং ডিবি অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করেছিলেন। তবে পুলিশ প্রশাসন থেকে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি এবং সেই অজ্ঞাত নম্বরেও ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাদল দাসের বাসস্থান ছিল ঢাকার গুলিস্তানে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে। তিনি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার বাসিন্দা বাসু দেব দাসের ছেলে ছিলেন। বাদল দাসের বয়স ৩৫ বছর এবং তিনি নতুন বাজার গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
"গত মঙ্গলবার মতিঝিল এলাকা থেকে ফটোসাংবাদিক বাদল দাসসহ আরও ছয়-সাত জনকে হাতেনাতে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।"
"আমরা বাদল দাসের নিখোঁজের বিষয়ে কাজ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মতিঝিল, পল্টন, গুলিস্তান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাদল দাস, মো. শফিকুল ইসলাম, সুজিত শেখ বাবু, আরিফুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬-৭ জন, ৩৫ বছর, ১৮ জন (শ্রমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!