📌 গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ফটোসাংবাদিক বাদল দাসসহ ছয়-সাতজনকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে। দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর তার সন্ধান মিলল। বাদলের সহকর্মী সুজিত শেখ বাবু পল্টন মডেল থানায় জিডি দিয়েছিলেন। বাদল পটুয়াখালীর বাসিন্দা ছিলেন
ফটোসাংবাদিক বাদল দাসের দুই দিনের নিখোঁজের গল্পের অবসান ঘটল গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। মতিঝিল এলাকায় আটক হওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় বাদল দাসসহ ছয়-সাতজনকে হাতেনাতে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, বাদল দাসসহ আটককৃতদের আদালতে হাজির করা হয় এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মতিঝিলে আটক: গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ফটোসাংবাদিক বাদল দাসসহ ছয়-সাতজনকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
- 📌 দুই দিন নিখোঁজ: বাদল দাসের নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর তার সহকর্মী সুজিত শেখ বাবু পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দিয়েছিলেন।
- 📌 সহকর্মীর সন্ধান: বাদলের সহকর্মীরা জানান, নিখোঁজের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কক্ষেই পড়ে থাকত। পরে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তার রুমমেট সুজিত শেখ বাবুকে ফোন করে জানানো হয়, বাদল ডিবির হেফাজতে রয়েছেন।
- 📌 পুলিশের নিশ্চয়তা: বুধবার ডিবি নিশ্চিত করে যে, বাদলকে আটক করা হয়েছে। তবে ওই সময় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
- 📌 পটুয়াখালীর বাসিন্দা: বাদল দাস পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩৫ সদর রোড নতুন বাজার এলাকার বাসু দেব দাসের ছেলে ছিলেন। তিনি রাজধানীর গুলিস্তানে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে থাকতেন।
📰 বিস্তারিত
গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর ফটোসাংবাদিক বাদল দাসের দুই দিনের নিখোঁজের গল্পের অবসান ঘটল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় বাদল দাসসহ ছয়-সাতজনকে হাতেনাতে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, বাদল দাসসহ আটককৃতদের আদালতে হাজির করা হয় এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
সোমবার থেকে বাদল দাসের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। তার সহকর্মী ও রুমমেট ফটোসাংবাদিক সুজিত শেখ বাবু পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানিয়েছিলেন, বাদলের নিখোঁজের বিষয়ে জিডি হয়েছে এবং তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। বাদলের সহকর্মীরা জানান, নিখোঁজের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কক্ষেই পড়ে থাকত। এর মধ্যে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে সুজিত শেখ বাবুর কাছে ফোন করে জানানো হয়, বাদল ডিবির হেফাজতে রয়েছেন। পরে তিনি মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। তবে ওই সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বাদলকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।
ডিবি পরিচয়ে যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল, সেটিতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বুধবার ডিবির পক্ষ থেকে বাদলকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বাদল দাস পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩৫ সদর রোড নতুন বাজার এলাকার বাসু দেব দাসের ছেলে ছিলেন। তিনি রাজধানীর গুলিস্তানে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে থাকতেন।
"মতিঝিল এলাকায় বাদল দাসসহ কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করে ডিবি। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মতিঝিল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফটোসাংবাদিক বাদল দাস, সুজিত শেখ বাবু, মো. শফিকুল ইসলাম, আরিফুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার), ৩৫ সদর রোড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!