📌 পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ইপিজেডের ফটকের সামনে নিখোঁজ যুবক আব্বাস সিকদারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা মনে করেন, তিনি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে। পুলিশ ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করবে। অভিযানে ৭৫ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও হেরোইনসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করা হয়
পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) ফটকের সামনে মধ্যরাতে নিখোঁজ যুবক আব্বাস সিকদারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। গত শুক্রবার রাত ২টায় পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। স্থানীয়রা জানান, নিহত আব্বাস ২৫ বছর বয়সী এবং পচাকোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করতেন, কিন্তু বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ইপিজেড ফটকের সামনে আব্বাস সিকদারের (২৫) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়
- 📌 নিহতের বাবা রফিক সিকদার অভিযোগ করেন, তিনি নির্বাচন প্রস্তুতির কারণে হত্যার শিকার হতে পারে
- 📌 পুলিশ অভিযানে ৭৫ কেজি গাঁজা, ১৪৪২ গ্রাম ইয়াবা, ৭ গ্রাম হেরোইন, ২ ক্যান বিয়ার, ১টি কাভার্ড ভ্যান ও ২টি মোটরসাইকেল জব্দ করে
- 📌 ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হবে
- 📌 নিহতের চাচা শাহজালালকে অটোরিকশাচালক ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়েছেন
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার রাত ২টায় পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ইপিজেড ফটকের সামনে আব্বাসের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্বাসের বাবা মো. রফিক সিকদার বলেন, তিনি এলাকায় মেম্বার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ফেসবুকে নির্বাচন সম্পর্কিত পোস্টার ছাড়ার পর থেকেই স্থানীয় একটি মহলের সঙ্গে তার শত্রুতা বেড়ে যায়। তিনি মনে করেন, এই ঘটনায় আব্বাসেরও জড়িত থাকার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। অভিযানে পুলিশ ৯টি মোবাইল ফোন, ২ হাজার ৪০০ টাকা নগদ, ২টি মোটরসাইকেল, ১টি কাভার্ড ভ্যানসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করেছে। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অবশ্য, স্থানীয়রা মনে করেন, নিহত আব্বাসকে মারধর করে হত্যা করা হতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
"আমি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে এর পোস্টার ছাড়ার পর থেকেই স্থানীয় একটি মহলের সঙ্গে শত্রুতা বেড়ে যায়। তাদের সঙ্গে আব্বাসেরও দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। আমি এই পরিকল্পিত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী সদর উপজেলা, আউলিয়াপুর ইউনিয়ন, পচাকোড়ালিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্বাস সিকদার (২৫), মো. রফিক সিকদার, মো. মনিরুজ্জামান (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ কেজি গাঁজা, ১৪৪২ গ্রাম ইয়াবা, ৭ গ্রাম হেরোইন, ২ ক্যান বিয়ার, ১টি কাভার্ড ভ্যান, ২টি মোটরসাইকেল, ৯টি মোবাইল ফোন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!