📌 গাজীপুরের পাতারটেক হত্যাকাণ্ড মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি নির্ধারণ করেছে। মামলায় গ্রেফতার আছে দু’জন আসামি। প্রসিকিউশন দাবি করেছে, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর সোয়াট সদস্যরা জঙ্গি নাটক সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করেছিল
গাজীপুরের পাতারটেক হত্যাকাণ্ড মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি নির্ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। মামলায় বর্তমানে গ্রেফতার আছে দু’জন আসামি — একেএম শহীদুল হক ও আসাদুজ্জামান মিয়া। প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয় এবং মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তরিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শেখ হাসিনাসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 মামলায় আসামিরা: শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, একেএম শহীদুল হক, ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, আসাদুজ্জামান মিয়া, মনিরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান (বগুড়া), মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, আরিফুর রহমান মণ্ডল ও এসএম জাহাঙ্গীর হাছান।
- 📌 ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের পাতারটেক এলাকায় সোয়াট সদস্যরা ‘অপারেশন শরতের তুফান’ নামে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করেছিল।
- 📌 নিহতদের মধ্যে পরিচিত তিনজন: মো. ইবরাহীম, ফরিদুল ইসলাম আকাশ ও সাইফুর রহমান। বাকি চারজন পরিচিত নয়।
- 📌 প্রসিকিউশন দাবি করেছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার বলপূর্বক গুমসহ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছিল।
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের পাতারটেক হত্যাকাণ্ড মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ২৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক শুনানি নির্ধারণ করেছে। প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানিয়েছেন, মামলাটি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে চিফ প্রসিকিউটর ছুটিতে থাকায় শুনানির তারিখ বিলম্বিত হয়েছিল।
প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিমের বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর সোয়াট সদস্যরা ‘অপারেশন শরতের তুফান’ নামে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করেছিল। নিহতদের মধ্যে তিনজন পরিচিত — মো. ইবরাহীম, ফরিদুল ইসলাম আকাশ ও সাইফুর রহমান। বাকি চারজন পরিচিত নয়। প্রসিকিউশন দাবি করেছে, হত্যাকাণ্ডের পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল।
মামলায় আসামিরা হলেন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক, সাবেক এসবি প্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, সাবেক সিটিটিসি ইউনিট প্রধান মনিরুল ইসলাম, বগুড়ার সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, গাজীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার ও ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, বগুড়ার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল এবং সাবেক সোয়াট টিম লিডার এসএম জাহাঙ্গীর হাছান।
"দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সাতজনকে তুলে নিয়ে বগুড়ায় পুলিশের একটি গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের গাজীপুরের পাতারটেক এলাকায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করা হয়েছিল।"
প্রসিকিউশন আরও দাবি করেছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। পাতারটেকের ঘটনাটিও এরই অংশ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনাসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের পাতারটেক, ঢাকা, বগুড়া, নোয়াগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, একেএম শহীদুল হক, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ আসামি, ২৮ অক্টোবর, ৮ অক্টোবর ২০১৬, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!