📌 রাজবাড়ী পাংশা জুয়েলারি দোকান থেকে চুরি হওয়া ১৫ ভরি স্বর্ণ ও ২২০ ভরি রূপার গহনা উদ্ধার করে পুলিশ। দোকানের কর্মচারী জায়ফুল ইসলাম লিটনকে গ্রেফতার করা হয়, যিনি সহযোগীর সাথে পরিকল্পিতভাবে চুরি করেন। মালিককে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করে চাবি চুরি করে দোকান থেকে মূল্যবান গহনা নিয়ে যান
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় অবস্থিত একটি জুয়েলারি দোকান থেকে চুরি হওয়া ১৫ ভরি ১.৫৮ আনা স্বর্ণালংকার ও ২২০ ভরি রৌপ্যালংকার উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দোকানের কর্মচারী জায়ফুল ইসলাম লিটন (৫৯) গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেনের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ ভরি স্বর্ণ ও ২২০ ভরি রূপার গহনা উদ্ধার করে পুলিশ, যার মধ্যে ৩৩ লাখ ২১ হাজার টাকার মূল্যের স্বর্ণালংকার ও ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার রৌপ্যালংকার রয়েছে
- 📌 জায়ফুল ইসলাম লিটন (৫৯) গ্রেফতার করা হয়, যিনি দোকান মালিক শহিদুল ইসলামকে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করে চাবি চুরি করে গহনা নিয়ে যান
- 📌 গাজীপুরের কোনাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায় থেকে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেন
- 📌 চুরির ঘটনা ঘটে ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ২:৩০ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার মধ্যে, মোট মূল্য ৬৫ লাখ টাকার গহনা ও টাকা চুরি হয়
- 📌 গ্রেফতার জায়ফুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তদন্ত চলছে সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য
📰 বিস্তারিত
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাংশা উপজেলার নারায়ণপুর দত্ত মার্কেটের ‘নিউ মুসলিম জুয়েলার্স’ দোকান থেকে চুরি হওয়া গহনা ও টাকা উদ্ধার করা হয়। দোকানের কর্মচারী জায়ফুল ইসলাম লিটন (৫৯) পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া গ্রামের মৃত খন্দকার আব্দুল জলিলের ছেলে। তিনি দোকানের মালিক শহিদুল ইসলামকে জলিলপাড়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে রসমালাইয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ান। মালিক অচেতন হয়ে পড়লে তার পকেট থেকে দোকানের চাবি চুরি করে লিটন। এরপর তিনি দোকানে ফিরে গিয়ে অপর কর্মচারীকে বাইরে পাঠিয়ে আলমারি খুলে স্বর্ণ, রূপা ও নগদ টাকা নিয়ে যান।
পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে পাংশা থানার একটি দল গাজীপুরের কোনাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জায়ফুল ইসলাম লিটনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার জায়ফুলের দেখানো স্থান থেকে ৩০টি স্বর্ণের আংটি, ১১টি চেইন, একটি সীতাহার, তিনটি পল, একটি চান, ২৬ জোড়া কানের দুল ও একটি ব্রেসলেটসহ মোট ১৫ ভরি ১.৫৮ আনা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ৫৮ জোড়া নুপুর, ৩৭টি চেইন, ছয়টি বাজু, চারটি ব্রেসলেট, ১৬ জোড়া হাতের চুড়ি, ৩২টি তাবিজ, ১৯ জোড়া কানের দুল ও ১৩টি চানসহ মোট ২২০ ভরি রৌপ্যালংকার উদ্ধার করা হয়।
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে পুলিশের উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতার জায়ফুল ইসলাম লিটনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামি ও সহযোগীদের গ্রেফতারের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
"গ্রেফতার জায়ফুল ইসলাম লিটনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামি ও সহযোগীদের গ্রেফতারের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাংশা উপজেলা, রাজবাড়ী; গাজীপুরের কোনাবাড়ী মধ্যপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জায়ফুল ইসলাম লিটন (৫৯), শহিদুল ইসলাম (মালিক), মীর মনির হোসেন (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ভরি ১.৫৮ আনা স্বর্ণ, ২২০ ভরি রূপা, ৬৫ লাখ টাকা মূল্যের চুরি, ৫৯ বছর বয়সী আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!