📌 শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় পিঠের ফোঁড়ার চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে ইনজেকশন নেওয়ার পর চার বছরের শিশু সামিয়া আক্তার মারা যায়। অভিযুক্ত চিকিৎসক পলাতক হয়ে গেছেন। পরিবার অভিযোগ করেছে, ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই শিশুর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় পিঠের ফোঁড়ার চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে ইনজেকশন নেওয়ার পর চার বছরের শিশু সামিয়া আক্তার মারা গেছেন। শিশুটির দাদা হাবিবুর রহমান ফকির অভিযোগ করেছেন, মনির মাদবর নামের পল্লি চিকিৎসক একাধিক ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই শিশুর মৃত্যু ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক পলাতক হয়ে গেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলায় পিঠের ফোঁড়ার চিকিৎসা নিতে গিয়ে চার বছরের শিশু সামিয়া আক্তার মারা যান
- 📌 শিশুটির দাদা হাবিবুর রহমান ফকির অভিযোগ করেছেন, মনির মাদবরের নুসরাত ফার্মেসিতে ৫-৬টি ইনজেকশন দেওয়া হয়
- 📌 ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই শিশুর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়, পরে মৃত ঘোষণা করা হয়
- 📌 অভিযুক্ত পল্লি চিকিৎসক মনির মাদবর পলাতক হয়ে গেছেন
- 📌 শিশুটির মা-বাবা পারিবারিক বিরোধে আলাদা থাকছিলেন, সে দাদা-দাদির কাছে ছিল
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের পাচুখার কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সামিয়া আক্তার মালয়েশিয়াপ্রবাসী হান্নান ফকির ও লায়লা আক্তারের মেয়ে। শিশুটির পিঠে ১০ থেকে ১২ দিন ধরে একটি ফোঁড়া ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে বিলাসপুর ইউনিয়নের পাচুখার কান্দি বাজারে মনির মাদবরের নুসরাত ফার্মেসিতে নিয়ে যান তার দাদি কাঞ্চন মালা। পরিবারের দাবি, সেখানে ফোঁড়ার চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ৫-৬টি ইনজেকশন দেওয়া হয়। ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই সামিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে স্বজনেরা তাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সামিয়ার দাদি কাঞ্চন মালা বলেন, নাতনির পিঠের ফোঁড়ার জন্য বিভিন্ন ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। ফোঁড়াটি কিছুটা নরম হলে তাকে মনির মাদবরের ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। সেখানে পাঁচ থেকে ছয়টি ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের কারণে প্রায় ছয় মাস ধরে সামিয়ার মা-বাবা আলাদা থাকছেন। এ সময় সে দাদা-দাদির সঙ্গে বাস করত। অভিযুক্ত মনির মাদবর জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর ইউনিয়নের চোকদার কান্দি এলাকার তৈয়ব আলী মাদবরের ছেলে। ঘটনার পর তাঁর বাড়িতে গেলে স্ত্রী জানান, তিনি বাড়িতে নেই।
"নাতনির পিঠের ফোঁড়ার জন্য বিভিন্ন ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। ফোঁড়াটি কিছুটা নরম হলে তাকে মনির মাদবরের ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। সেখানে পাঁচ থেকে ছয়টি ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর; বিলাসপুর ইউনিয়ন, পাচুখার কান্দি বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সামিয়া আক্তার (৪ বছর), হাবিবুর রহমান ফকির (দাদা), মনির মাদবর (পল্লি চিকিৎসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫-৬টি ইনজেকশন, ১০-১২ দিন ফোঁড়া, ৯ টা রাত ঘটনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!