📌 পাবনা মানসিক হাসপাতালে এনএসআইয়ের মোবাইল কোর্টে চার দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দোষীদের প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অভিযানে উপ-পরিচালক এ বি এম লুৎফুল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশও অংশ নিয়েছিল
পাবনা সদর উপজেলার মানসিক হাসপাতালে এনএসআইয়ের মোবাইল কোর্টের অভিযানে চারজন দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে পাবনা এনএসআইয়ের গোপন তথ্য ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে দোষীদের প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনা মানসিক হাসপাতালে এনএসআই মোবাইল কোর্টে চার দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 দোষীদের মধ্যে রয়েছে: ইদ্রিস মন্ডল (শহিদুল মণ্ডলের ছেলে), সুজন আলী (আব্দুল বারেকের ছেলে), জাকির হোসেন (তৈয়েব আলীর ছেলে), মাসুদ রানা (চাঁদ আলীর ছেলে)
- 📌 প্রত্যেক দোষীকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযানে এনএসআই উপ-পরিচালক এ বি এম লুৎফুল কবিরের নেতৃত্বে দশজন সদস্য ও থানা পুলিশ অংশগ্রহণ করেছিল
📰 বিস্তারিত
রোববার সকালে পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের বুদেরহাট গ্রামে এনএসআইয়ের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এস এম ফুয়াদ নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে চারজন দালালকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। দোষীদের মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের বুদেরহাট গ্রামের শহিদুল মণ্ডলের ছেলে ইদ্রিস মন্ডল, কিসমত প্রতাপপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে সুজন আলী, হেমায়েতপুর গ্রামের তৈয়েব আলীর ছেলে জাকির হোসেন এবং একই এলাকার চাঁদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা।
মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রত্যেক দোষীকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে এনএসআই পাবনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এ বি এম লুৎফুল কবিরের নেতৃত্বে দশজন সদস্যের একটি টিম ও থানা পুলিশ অংশগ্রহণ করে।
"মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দোষীদের প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এতে দালালদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা সদর উপজেলা, মানসিক হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ বি এম লুৎফুল কবির (উপ-পরিচালক), এস এম ফুয়াদ (নেতৃত্ব), ইদ্রিস মন্ডল, সুজন আলী, জাকির হোসেন, মাসুদ রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন দালাল, ১০ দিন কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!