📌 পাবনা সদরের একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক আবু ইউসুফকে এক ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। অভিযোগে মাদ্রাসা ও তার বাড়িতে এলাকাবাসী ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন
পাবনা সদরে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক আবু ইউসুফকে এক ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক করে পাবনা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর এলাকাবাসীর উত্তেজনা থেকে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষক আবু ইউসুফকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক এক ছাত্রীকে জোর করে কক্ষে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ চেষ্টা করেন।
- 📌 ভুক্তভোগী ছাত্রী দাবি করেছেন, এর আগেও তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করা হতো এবং চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো।
- 📌 মাদ্রাসার অন্য ছাত্রীদেরও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 ঘটনার পর এলাকাবাসীর উত্তেজনা থেকে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা শফিকুল ইসলাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
- 📌 পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
📰 বিস্তারিত
২৩ অক্টোবর রাতের গভীরে পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামের নুরে মদিনা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় একটি ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজরের আজানের আগে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার সময় শিক্ষক আবু ইউসুফ তাকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এর আগেও ছাত্রীকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হতো এবং চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলে দাবি করেছেন তিনি। মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো বলে জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে এবং ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে পাবনা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
"এই ঘটনায় আমাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো এবং আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। আমি সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা সদর উপজেলা, ভাঁড়ারা ইউনিয়ন, দড়িভাউডাঙ্গা গ্রাম, নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু ইউসুফ (অভিযুক্ত শিক্ষক), ভুক্তভোগী ছাত্রী, শফিকুল ইসলাম (চাচা), সঞ্জয় কুমার সাহা (পুলিশ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ৫ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!