📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাবনার মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে টাকা নেওয়ার অভিযোগ: ছেলেকে চাকরি না দিলে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি?

পাবনার মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে টাকা নেওয়ার অভিযোগ: ছেলেকে চাকরি না দিলে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি?

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করেছেন সাবেক নৈশ প্রহরী শফিকুল ইসলাম। অধ্যক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন

পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করেছেন সাবেক নৈশ প্রহরী শফিকুল ইসলাম। তিনি দাবি করেছেন, তার ছেলে মঞ্জুর হাসানকে পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে অধ্যক্ষের কাছ থেকে দুই দফায় টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে অধ্যক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 সাবেক নৈশ প্রহরী শফিকুল ইসলামের ছেলে মঞ্জুর হাসানকে পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে অধ্যক্ষের কাছ থেকে প্রথম দফায় ৯০ হাজার এবং পরে ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 ২০২৫ ও ২০২৬ সালের আগস্টে দু’বার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষায় মঞ্জুর হাসান তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন, কিন্তু নিয়োগ পাননি।
  • 📌 পরীক্ষায় নজরুল ইসলাম প্রথম এবং ওমর ফারুক দ্বিতীয় স্থান পেয়েছিলেন।
  • 📌 অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

📰 বিস্তারিত

সাবেক নৈশ প্রহরী শফিকুল ইসলামের অভিযোগ অনুযায়ী, তার ছেলে মঞ্জুর হাসানকে নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। প্রথম দফায় ৯০ হাজার টাকা এবং পরে আরও ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও মঞ্জুর হাসানকে পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। শফিকুল ইসলাম বলেছেন, তিনি হতাশ এবং বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশা প্রকাশ করেছেন।

অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল অভিযোগের বিষয়ে জানিয়েছেন, কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগ বোর্ড ও সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি বলেছেন, চাকরি দেওয়ার কথা বলে কারও কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তবে প্রয়োজন হলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

কলেজের নৈশ প্রহরী পদে ২০২৫ সালের আগস্টে প্রথমবার এবং ২০২৬ সালের আগস্টে দ্বিতীয়বার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। পরীক্ষায় সাতজন প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে মঞ্জুর হাসান তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন। তবে তার ছেলেকে পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ শফিকুল ইসলামের কাছে রয়েছে।

"ছেলেকে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল তার কাছ থেকে দুই দফায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার ছেলেকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি হতাশ বলেও জানান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, মঞ্জুর হাসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৯০ হাজার টাকা, ৩০ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖