📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাবনার সরকারি কলেজে কোটি টাকা আত্মসাত: শিক্ষার্থী-অভিভাবক অবরোধ করে তদন্ত দাবি

পাবনার সরকারি কলেজে কোটি টাকা আত্মসাত: শিক্ষার্থী-অভিভাবক অবরোধ করে তদন্ত দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার সুজানগর সরকারি ডাক্তার জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের ১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, কিন্তু অভিযোগের পেছনে ব্যাংক ও হিসাবরক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পাবনার সুজানগর সরকারি ডাক্তার জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের ১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে এক কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আজ সোমবার দুপুরে কলেজের সামনে দুলাই বাজার এলাকায় পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। এই ঘটনায় কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান শহিদুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনার সুজানগর সরকারি ডাক্তার জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের ৪৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ১৪টি অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 ১০ সেপ্টেম্বর সকালে হিসাবরক্ষককে ২২ হাজার ৫০০ টাকা ও ২৯ হাজার ৯০০ টাকার দুটি চেক দেওয়া হয়, কিন্তু বিকেলে ২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলনের খুদে বার্তা পায় তিনি
  • 📌 শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে "কলেজের টাকা ফিরিয়ে আনার" দাবি জানান এবং তদন্তের জন্য বিক্ষোভ করেন
  • 📌 কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ বলেছেন, "হিসাবরক্ষক টাকা তুলেছেন, তাই দায় তাঁর ওপরই বর্তায়। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে"
  • 📌 জনতা ব্যাংক দুলাই শাখার ব্যবস্থাপক মোজাম্মেল হক দাবি করেছেন, "প্রতিটি চেক যাচাই-বাছাই করে টাকা দেওয়া হয়, ব্যাংকের কারও জড়িত থাকার সুযোগ নেই"
  • 📌 কলেজের হিসাবরক্ষক গিয়াস কামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, "ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেক যাচাই-বাছাই করে টাকা দেয়"

📰 বিস্তারিত

পাবনার সুজানগরে অবস্থিত সরকারি ডাক্তার জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কলেজের ৪৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ১৪টি অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্টে কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের লক্ষণ দেখা গেছে। ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি ২০১৮ সালে জাতীয়করণ হয় এবং এখানে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি), স্নাতক (পাস) কোর্স এবং ৬টি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) পড়ানো হয়। কলেজে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।

১০ সেপ্টেম্বর সকালে হিসাবরক্ষককে ২২ হাজার ৫০০ টাকা ও ২৯ হাজার ৯০০ টাকার দুটি চেক দেওয়া হয়। বিকেলে তিনি মুঠোফোনে ২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলনের খুদে বার্তা পান। ব্যাংকে গিয়ে তিনি দেখেন যে, চেকে দেওয়া স্বাক্ষর তাঁর নয়। তিনি ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে বিষয়টি জানান এবং ব্যাংকের ১৪টি অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্টে কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের লক্ষণ পান।

এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ গত রোববার চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটির প্রধান শহিদুর রহমান বলেছেন, “ঘটনাটি বেশ জটিল। কলেজের অনেকগুলো অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং অনেকভাবে টাকা তোলা হয়েছে। আজ সোমবার থেকে বিষয়টি অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষসহ সবার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি।”

কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন মুন্সি জানান, ঘটনার পর অধ্যক্ষ ব্যাংকের কোনো সহযোগিতা পাননি। যেসব চেক থেকে টাকা উত্তোলন হয়েছে, সেসব চেক ব্যাংক দেখায়নি। এতে মনে হচ্ছে চেকদাতা ও ব্যাংকের কেউ যোগসাজশে কাজ করেছেন।

অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ বলেছেন, “কলেজের টাকা হিসাবরক্ষক তোলেছেন। প্রাথমিকভাবে আমরা দেখেছি কলেজের প্রায় ১৪টি হিসাব থেকে কোটি টাকার ওপরে আত্মসাত হয়েছে। যেহেতু টাকা হিসাবরক্ষক তুলেছেন, সেহেতু দায়টা তাঁর ওপরই বর্তায়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হিসাবরক্ষক গিয়াস কামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ব্যাংক থেকে টাকা তুললে অধ্যক্ষর ফোনে এসএমএস আসে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেক যাচাই-বাছাই করেই টাকা দেয়। এখানে আমার ওপর মিথ্যা দায় চাপানোর কোনো সুযোগ নেই।”

জনতা ব্যাংক দুলাই শাখার ব্যবস্থাপক মোজাম্মেল হক বলেন, “ঘটনার সঙ্গে ব্যাংকের কারও জড়িত থাকার সুযোগ নেই। কারণ, প্রতিটি চেক যাচাই-বাছাই করেই টাকা দেওয়া হয়। লেনদেনের প্রতিটি অ্যামাউন্ট অধ্যক্ষর মুঠোফোনে মেসেজ যায়। গত ডিসেম্বর ও জুলাই মাসে অধ্যক্ষকে প্রতিটি হিসাবের স্টেটমেন্ট দেওয়া হয়েছে। এখন ওনারাই বলতে পারবেন কী হয়েছে।”

"ঘটনাটি বেশ জটিল। কলেজের অনেকগুলো অ্যাকাউন্ট। অনেকভাবে টাকা তোলা হয়। আজ সোমবার থেকে বিষয়টি অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষসহ সবার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি।"
"কলেজের টাকা হিসাবরক্ষক তোলেছেন। প্রাথমিকভাবে আমরা দেখেছি কলেজের প্রায় ১৪টি হিসাব থেকে কোটি টাকার ওপরে আত্মসাত হয়েছে। যেহেতু টাকা হিসাবরক্ষক তুলেছেন, সেহেতু দায়টা তাঁর ওপরই বর্তায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুজানগর, পাবনা, দুলাই বাজার, পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহুরুল কামাল, শহিদুর রহমান, আবদুল মজিদ, গিয়াস কামাল, মোজাম্মেল হক, মোজাফ্ফর হোসেন মুন্সি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪টি অ্যাকাউন্ট, ৪৪টি অ্যাকাউন্ট, ৬টি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান), ২০০০ শিক্ষার্থী, ২২ হাজার ৫০০ টাকা, ২৯ হাজার ৯০০ টাকা, ২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖