📌 ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজের পাঁচ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেড় লাখ ইট কেনার নামে সোয়া ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগী ক্রেতা দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত পাননি
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় একটি ইটভাটার প্রতারণায় সোয়া ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগী খুরশিদা পারভীন দীনা গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভাঙ্গুড়া থানায় মামলা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভাঙ্গুড়া উপজেলার মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজের পাঁচ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হয়েছে।
- 📌 দেড় লাখ ইট কেনার নামে সোয়া ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে লিটন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 ভুক্তভোগী খুরশিদা পারভীন দীনা ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু ইট বা টাকা ফেরত পাননি।
- 📌 অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন দাবি করেছেন, পরিচালক মাহাফুজুর রহমান হেলু ১০ থেকে ১২ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন।
- 📌 প্রতারণার মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের শাহানগর এলাকায় উত্তর মেন্দা এলাকার আলমগীর হোসেন, মসজিদপাড়ার লিটন হোসেন, মাহাফুজুর রহমান হেলু, কুমড়াডাঙ্গা এলাকার ইকরামুল হক ও দক্ষিণ মেন্দা পালপাড়ার মিন্টু কুমার দে মিলে মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ইটভাটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ইটভাটা চালুর পর অগ্রিম ইট বিক্রির কথা বলে সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। এতে ইটের জন্য টাকা দেওয়া ক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে ইট বা পাওনা টাকা ফেরত পাননি।
খুরশিদা পারভীন দীনা ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর বিকেলে মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজের কার্যালয়ে দেড় লাখ ইট কেনার জন্য ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। অভিযুক্তদের একজন টাকা গ্রহণ করে তাকে মানি রসিদ দেন। মৌখিকভাবে চুক্তি হয়, পরবর্তীতে ইট নিতে পারবেন। কিন্তু পরবর্তীতে ইট নিতে গেলে অভিযুক্তরা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর গত ২০ আগস্ট বিকেলে বকুলতলা মোড়ে অভিযুক্তদের কাছে ইট অথবা টাকা ফেরত চান তিনি। তারা ইট বা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, পদ্মা এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাফুজুর রহমান হেলু ১০ থেকে ১২ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাত করে ঢাকায় চলে গেছেন। তিনি দাবি করেন, তিনি ও ইকরামুল হক ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে তাদের অংশের টাকা পরিশোধ করেছেন। তবে অন্য অংশীদারদের অংশের টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
"পদ্মা এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাফুজুর রহমান হেলু ১০ থেকে ১২ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাত করে ঢাকায় চলে গেছেন।"
ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, প্রতারণার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়েছে। এজাহারভুক্ত একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভাঙ্গুড়া উপজেলা, পাবনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খুরশিদা পারভীন দীনা, লিটন হোসেন, আলমগীর হোসেন, মাহাফুজুর রহমান হেলু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সোয়া ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর, ২০ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!