📌 পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওহাবসহ ১৫ জনকে পুলিশ মিছিল প্রস্তুতি ও নাশকতার অভিযোগে আটক করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা শহরে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়ে মাইক্রোবাসে আসছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আবারও কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানা গেছে
পাবনা জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত এলাকায় মিছিল প্রস্তুতি ও নাশকতার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা কমিটির সভাপতি আবদুল ওহাবসহ ১৫ জনকে পুলিশ আটক করেছে। বুধবার সকালে জেলা শহরের আবদুল হামিদ সড়কের ইন্দিরা মোড় এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটক করে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা শহরে নাশকতা সৃষ্টি ও মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওহাবসহ ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে মিছিল প্রস্তুতি ও নাশকতার অভিযোগে
- 📌 পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুস সালাম জানান, তারা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মাইক্রোবাসে করে শহরে আসছিলেন
- 📌 পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেছেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে এবং জামিন না পেলে কারাগারে পাঠানো হবে
- 📌 ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আবদুল ওহাবকে আটক করার পর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাকে ছিনিয়ে নেন এবং ঘটনায় আট পুলিশ সদস্য আহত হন
- 📌 ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে আবদুল ওহাবসহ ২১ জন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়, পরে তারা জামিনে মুক্তি পান
📰 বিস্তারিত
পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুস সালাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মাইক্রোবাসে করে শহরে আসা ১৫ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওহাবসহ অন্যরা নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে ছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলেন। পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে এবং জামিন না পেলে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সুজানগর উপজেলার মথুরাপুর এলাকা থেকে আবদুল ওহাবকে পুলিশ আটক করার পর ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাকে পুলিশ ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেন। ঘটনায় আট পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনার তিন দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি আবদুল ওহাবকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আবদুল ওহাব ও তাঁর সমর্থকেরা সুজানগর এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানায় পুলিশ।
চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল রাতে মথুরাপুরে অভিযান চালিয়ে আবদুল ওহাবসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান।
"আজ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে শহরে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে এসে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা জেলা, সুজানগর উপজেলা, আবদুল হামিদ সড়ক, ইন্দিরা মোড়, মথুরাপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল ওহাব (আওয়ামী লীগ সভাপতি), আবদুস সালাম (পুলিশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা), তরিকুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন আটক, ২১ জন আটক (২৩ এপ্রিল), ২ ফেব্রুয়ারি, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২৩ এপ্রিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!