📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, ঢাকার বসুন্ধরা এলাকার দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন মাধ্যমে মাদক বিক্রির একটি চক্র সক্রিয়। টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত ২৫০ শিক্ষার্থী মাদক সেবন করে, যার মধ্যে একজন তরুণ সাইম ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন মাধ্যমে মাদক বিক্রির একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রে একটি গোপন ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে ‘কুশ’ ও ‘সিনথেটিক গাঁজা’ বিক্রি করা হচ্ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার বসুন্ধরা এলাকার দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন মাদক বিক্রির একটি চক্র সক্রিয়, যেখানে টেলিগ্রাম গ্রুপে ২৫০ শিক্ষার্থী যুক্ত
- 📌 সাইম ইসলাম (১৯) নামে একজন তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি নিজেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে মাদক বিক্রি করতেন
- 📌 অভিযানে ৩০০ গ্রাম গাঁজা ও একটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে
- 📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা দল সাইবার প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শনাক্ত করেছে
- 📌 মাদক ব্যবসায়ীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন কৌশল অবলম্বন করছেন, যার মধ্যে অনলাইন অর্ডার ও ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত
📰 বিস্তারিত
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা এখন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছেন। গোয়েন্দা দল সাইবার প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে এই ধরনের কার্যক্রম শনাক্ত করে এবং পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে। তিনি বলেন, অভিযানে উচ্চমাত্রার সিনথেটিক গাঁজা, কুশ সিড ও মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদের নেতৃত্বে গত শুক্রবার অভিযান চালিয়ে ভাটারার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সাইম ইসলাম (১৯) জানান, তিনি দুই মাস আগে নিজেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন। সেই ওয়েবসাইটে আগ্রহী ব্যক্তিদের নিয়ে একটি গোপন টেলিগ্রাম গ্রুপ তৈরি করেছিলেন। সেখানে দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী যুক্ত রয়েছেন, যারা মাদক সেবন করতেন। সাইমের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জে, কিন্তু তিনি ঢাকার জোয়ার সাহারা লিচুবাগান এলাকার একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।
অভিযানের সময় সাইমের ব্যবহৃত একটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বাদী হয়ে ভাটারা থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় এবং ফ্ল্যাটে তল্লাশি করে মাদক ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
"মাদক ব্যবসায়ীরা এখন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছেন। গোয়েন্দা দল সাইবার প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে এই ধরনের কার্যক্রম শনাক্ত করে এবং পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে।"
"তিনি নিজেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন। সেই ওয়েবসাইটে আগ্রহী ব্যক্তিদের নিয়ে একটি গোপন টেলিগ্রাম গ্রুপ তৈরি করেছিলেন। সেখানে দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী যুক্ত রয়েছেন, যারা মাদক সেবন করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও ভাটারা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইম ইসলাম (১৯), মো. মেহেদী হাসান, মোস্তাক আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ জন শিক্ষার্থী (টেলিগ্রাম গ্রুপে), ৩০০ গ্রাম গাঁজা, ১৯ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!