📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীর সাবেক মেয়র ও পরিবারের ৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: দুদক মামলা দায়ের

নোয়াখালীর সাবেক মেয়র ও পরিবারের ৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: দুদক মামলা দায়ের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর বসুরহাটের সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের নামে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ খুঁজে পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করে দুদক তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তাঁর স্ত্রী আখতার জাহান বকুল এবং ছেলে মির্জা মাশরুর কাদেরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫ টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে। এই অভিযোগে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করে দুদক তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ**: আবদুল কাদের মির্জা, স্ত্রী আখতার জাহান বকুল ও ছেলে মির্জা মাশরুর কাদেরের নামে দুদক অবৈধ সম্পদ খুঁজে পেয়েছে।
  • 📌 **তিনটি মামলা**: দুদক দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
  • 📌 **ক্ষমতার অপব্যবহার**: ১৯৯৯-২০০১ ও ২০১১-২০২৪ সালের মধ্যে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কাদের মির্জা অবৈধ সম্পদ জমা করেছেন।
  • 📌 **অবৈধ সম্পদের বিস্তারিত**: - কাদের মির্জার নামে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকা, - স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের নামে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকা, - ছেলে মির্জা মাশরুর কাদেরের নামে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকা অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে।
  • 📌 **আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি**: কাদের মির্জা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ছিলেন ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।

📰 বিস্তারিত

নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানিয়েছেন, দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এই তিনটি মামলা দায়ের করেছেন। তদন্তে দেখা গেছে, কাদের মির্জা ১৯৯৯ থেকে ২০০১ এবং ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল অবৈধ সম্পদ জমা করেছেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কাদের মির্জার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তাঁর নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশি পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদেরের নামে ৮১ লাখ টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মামলার বাদী চিন্ময় চক্রবর্তী জানান, কমিশন থেকে অনুমোদনের পরই এই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের সময় যদি এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"কমিশন থেকে অনুমোদনের পরই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের সময় অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বসুরহাট পৌরসভা, নোয়াখালী জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল কাদের মির্জা, আখতার জাহান বকুল, মির্জা মাশরুর কাদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫ টাকা (অবৈধ সম্পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖