📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁ মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: পলাতক আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা

নওগাঁ মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: পলাতক আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁ জেলায় মাদক মামলায় দুই আসামির মধ্যে একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও দিয়েছে। পলাতক আসামি টুয়েলের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়েছে

নওগাঁ জেলায় মাদক মামলায় দুজন আসামির মধ্যে একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালতের রায় অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গের জন্য মো. হারুন (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। অন্যজন টুয়েল (৪৫) পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক সুকান্ত সাহা রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নওগাঁ জেলায় মাদক মামলায় মো. হারুন (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন
  • 📌 টুয়েল (৪৫) পলাতক অবস্থায় রয়েছেন, যিনি মামলায় জড়িত
  • 📌 আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও দিয়েছে
  • 📌 উদ্ধারকৃত মাদকের বাজারমূল্য ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • 📌 পুলিশ ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করেছিল
  • 📌 মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শওকত ইলিয়াস কবির রায়কে সন্তুষ্ট বলে উল্লেখ করেছেন
  • 📌 আসামিপক্ষের আইনজীবী এস. এম. জুবায়ের রায়ে সংক্ষুব্ধ

📰 বিস্তারিত

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে মো. হারুন (৪২) এবং সন্তোষপড়া গ্রামের নাজিরের ছেলে টুয়েল (৪৫) মাদক মামলায় জড়িত ছিলেন। ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে দুইজন ব্যক্তি মাদক নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলার ছাতড়া বাজার এলাকায় আসছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তাদের আটক করে। দেহ তল্লাশি চালিয়ে টুয়েলের কাছ থেকে ৬০ গ্রাম এবং হারুনের কাছ থেকে ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ তাদের ব্যবহৃত লাল রঙের ১৫০ সিসির পালসার মোটরসাইকেলও জব্দ করে।

মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০-এর ১৯ ধারায় দায়ের করা হয়। বিচারক সুকান্ত সাহা রায় ঘোষণা করেন যে, হারুন উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু টুয়েল পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত নওগাঁ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪-এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শওকত ইলিয়াস কবির উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্র কর্তৃক আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন অ্যাডভোকেট এস. এম. জুবায়ের।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শওকত ইলিয়াস কবির বলেন, ‘মাদকের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড একটি নজির। আদালত যে রায় দিয়েছেন এই রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।’ অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী এস. এম. জুবায়ের বলেন, ‘আসামি ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল এমন তথ্য-প্রমাণ না পাওয়া স্বত্বেও রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এই রায়ে সংক্ষুব্ধ।’

"মাদকের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড একটি নজির। আদালত যে রায় দিয়েছেন এই রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নওগাঁ জেলা, নিয়ামতপুর উপজেলা, ছাতড়া বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হারুন (৪২), টুয়েল (৪৫), বিচারক সুকান্ত সাহা, অ্যাডভোকেট শওকত ইলিয়াস কবির, অ্যাডভোকেট এস. এম. জুবায়ের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন আসামি, ১০ হাজার টাকা জরিমানা, ৬ মাস সশ্রম কারাদণ্ড, ৬০ গ্রাম ও ৪০ গ্রাম হেরোইন, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মাদকের মূল্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖