📌 গ্রেপ্তার শাহরিয়ার মাহমুদের বিরুদ্ধে নোয়াখালী সদরে তিনটি ওয়াক্ফ প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীরা দাবি, তিনি আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কোটি টাকার সম্পত্তি দখল করে অবৈধ নির্মাণ করছেন। জেলা প্রশাসক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন
নোয়াখালী সদরে অবস্থিত তিনটি প্রধান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কোটি টাকার ওয়াক্ফ সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে গ্রেপ্তার শাহরিয়ার মাহমুদের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার বিকেলে সালেহপুর মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় জনগণ ও মুসল্লিরা এই অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **কোটি টাকার ওয়াক্ফ জমি দখল**: শাহরিয়ার মাহমুদ দক্ষিণ সালেহপুরের তিনটি ওয়াক্ফ প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করেছেন — দক্ষিণ সালেহপুর জামে মসজিদ ওয়াক্ফ এস্টেট, দারুল উলুম হামিদিয়া মাদ্রাসা ওয়াক্ফ এস্টেট ও দক্ষিণ সালেহপুর হামিদুলিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ওয়াক্ফ এস্টেট।
- 📌 **অবৈধ নির্মাণ**: আদালতের স্থগিতাদেশ ও ওয়াক্ফ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই তিনি জমিতে ঘরবাড়ি, টয়লেট ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।
- 📌 **প্রতারণা ও অর্থ উত্তোলন**: সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ভুয়া রসিদ বইয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ উত্তোলন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা চালাচ্ছেন তিনি।
- 📌 **জেলা প্রশাসকের তদন্ত নির্দেশ**: জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম অভিযোগের তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
- 📌 **গ্রেপ্তারের পর এলাকাবাসীর মুখ খোলা**: সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ উঠেছে।
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালী সদর উপজেলার দক্ষিণ সালেহপুর গ্রামে অবস্থিত তিনটি ওয়াক্ফ প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে নির্মাণের অভিযোগে শাহরিয়ার মাহমুদের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার বিকেলে সালেহপুর মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দা আবুল খায়ের, শাহাদাত হোসেন শিপন, মো. মানিক, মো. রুহুল আমিন, রায়হান খান নান্টুসহ বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগ অনুযায়ী, শাহরিয়ার মাহমুদ আদালতের স্থগিতাদেশ ও ওয়াক্ফ প্রশাসনের কোনো তোয়াক্কা না করে কোটি কোটি টাকার ওয়াক্ফ সম্পত্তি দখল করে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি, টয়লেট ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। তিনি সরকারি নির্দেশ অমান্য করে এবং অকার্যকর কমিটির দোহাই দিয়ে ভুয়া রসিদ বইয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ উত্তোলন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে আসছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, ঢাকায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ স্টুডিও’ ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় শাহরিয়ার মাহমুদ গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যাওয়ার পর এলাকাবাসীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেছেন, এত দিন অদৃশ্য ক্ষমতার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, দক্ষিণ সালেহপুর জামে মসজিদ ওয়াক্ফ এস্টেট নিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ গত বৃহস্পতিবার তিনি পেয়েছেন। তিনি বলেন, অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্তের জন্য আগামীকাল রোববার একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেবেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কাজ করা হবে।
"আদালতের স্থগিতাদেশ ও ওয়াক্ফ প্রশাসনের কোনো তোয়াক্কা না করে শাহরিয়ার মাহমুদ ওয়াক্ফ এস্টেট ও সাধারণ মানুষের সম্পত্তি দখল করে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি, টয়লেট ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ সালেহপুর, নোয়াখালী সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহরিয়ার মাহমুদ, আবুল খায়ের, শাহাদাত হোসেন শিপন, মো. রুহুল আমিন, রায়হান খান নান্টুসহ এলাকাবাসী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: কোটি টাকার ওয়াক্ফ সম্পত্তি, তিনটি ওয়াক্ফ প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!