📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীতে রোহিঙ্গা যুবক থেকে উদ্ধার ৪ হাজার পিস ইয়াবা: ডিএনসি ও এসআরবি-১১ অভিযান

নোয়াখালীতে রোহিঙ্গা যুবক থেকে উদ্ধার ৪ হাজার পিস ইয়াবা: ডিএনসি ও এসআরবি-১১ অভিযান

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 সারাবাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও এসআরবি-১১-এর সদস্যরা রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ আলমকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছেন। আসামি জানিয়েছেন, টেকনাফের শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে তিনি হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩) যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ আলমকে গ্রেফতার করে। অভিযানে তার কাছ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮ থেকে ৯ টার মধ্যে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্বপাশে শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযানে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়
  • 📌 গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ আলম (৩৫) কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা
  • 📌 আসামি জানিয়েছেন, তিনি লেদা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন — কিন্তু উৎস ও লক্ষ্য সম্পর্কে আরো তথ্য জানা যায়নি
  • 📌 অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ — মাদকের উৎস ও জড়িতদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত
  • 📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তথ্য অনুসারে তদন্ত চলছে

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার সকালে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তায় অভিযানকালে মোহাম্মদ আলমকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মোহাম্মদ আলমের পিতা মো. আলী হোসেনও লেদা শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। তল্লাশি চালিয়ে মোহাম্মদ আলমের কাছ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হাতিয়ায় কারো কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। তবে মাদকের উৎস ও লক্ষ্য সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে তদন্ত চলছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

"শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে হাতিয়ায় যাচ্ছিলাম — কিন্তু কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে আমি মাদক বিক্রি করার উদ্দেশ্যে ছিলাম না, বরং কারো কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলা, শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আলম (৩৫), কক্সবাজার লেদা শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার পিস ইয়াবা, ৩৫ বছর বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖