📌 নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদক বিরোধে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহম্মদকে মাদকসেবী বলে মব পিটিয়ে হত্যা করা হয়। দু’জন কিশোরের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, তারা পূর্বপরিকল্পনা করে ফয়েজকে মাদকসেবী বলে মব তৈরি করে হত্যা করে। দু’জন কিশোরকে ১৬৪ ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হয়েছে
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদক বিরোধে রিকশাচালককে মাদকসেবী বলে মব পিটিয়ে হত্যা করা হয়। গত ১১ জুন রাতে শাকতলা এলাকায় সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় ১০ থেকে ১২ জন কিশোর। দু’জন কিশোরের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, তারা পূর্বপরিকল্পনা করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহম্মদকে মাদকসেবী বলে মব তৈরি করে পিটিয়ে হত্যা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. ফয়েজ আহম্মদ (৪৩)কে মাদকসেবী বলে মব পিটিয়ে হত্যা করা হয় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে
- 📌 ১১ জুন রাতে শাকতলা এলাকায় ১০ থেকে ১২ জন কিশোরের মব পিটিয়ে হত্যা
- 📌 দু’জন কিশোর (১৬ ও ১৭ বছর) স্বীকারোক্তিতে বলেছেন, তারা পূর্বপরিকল্পনা করে হত্যা করেছিল
- 📌 ১৬৪ ধারা অনুযায়ী দু’জন কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদেরকে গাজীপুরের কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত ১১ জুন রাতে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার শাকতলা এলাকায় মাদক বিরোধে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহম্মদকে মাদকসেবী বলে মব পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় ১০ থেকে ১২ জন কিশোর। দু’জন কিশোরের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, তারা পূর্বপরিকল্পনা করে ফয়েজকে মাদকসেবী বলে মব তৈরি করে পিটিয়ে হত্যা করে।
দু’জন কিশোরের মধ্যে একজন ১৬ বছর বয়সী এবং অন্যজন ১৭ বছর বয়সী। তারা সোনাইমুড়ী উপজেলার শাকতলা গ্রামের বাসিন্দা। শনিবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া জবানবন্দিতে রিকশাচালক ফয়েজ আহম্মদকে মাদকসেবী বলে হত্যার বিষয়টি উঠে আসে।
আদালতে তাদের জবানবন্দি প্রদান শেষে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিক উল্লাহর আদেশে দু’জন কিশোরকে গাজীপুরের কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর হেফাজতে থাকা সন্দেহভাজন দুই কিশোর রিকশাচালক ফয়েজ আহম্মদকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
ফয়েজ আহম্মদকে হত্যা করার পর মব তাকে রাস্তায় ফেলে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ফয়েজকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত ১২ জুন সোনাইমুড়ী থানায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
"আমরা ফয়েজকে মাদকসেবী বলে মব তৈরি করে পিটিয়ে হত্যা করেছিলাম। পূর্বপরিকল্পনা ছিল, সে মাদক সেবন করত না, কিন্তু আমরা তাকে মাদকসেবী বলে মব তৈরি করে হত্যা করেছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাকতলা ছিদ্দিকিয়া আলীয়া মাদ্রাসা এলাকা, সোনাইমুড়ী উপজেলা, নোয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফয়েজ আহম্মদ (৪৩), দু’জন কিশোর (১৬ ও ১৭ বছর), পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিক উল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১২ জন কিশোর, ১৬৪ ধারা, ১১ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!