📌 নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মো. মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে স্বজনপ্রীতির কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে জোয়াদ ও তার আপন ভাগিনার নাম তালিকায় রাখা হয়েছে
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নে সরকারি সার ডিলার নিয়োগের তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মো. মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন নিজের প্রভাব খাটিয়ে তার ছেলে জোয়াদের মালিকানাধীন ‘মাবরুক বিজনেস সেন্টার’-এর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এছাড়াও তার আপন ভাগিনা আবু তাহের সরকারের নামও তালিকায় স্থান পেয়েছে, যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈষম্যের অভিযোগ জাগিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মো. মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদ সার ডিলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেনের ছেলে ও আপন ভাগিনার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ।
- 📌 ১০ জন আবেদনকারীর মধ্যে জোয়াদ ও তার আপন ভাগিনা তালিকায় স্থান পেয়েছেন, যা প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
- 📌 ২০২৩ সালে শিক্ষার্থী নির্যাতন মামলায় জোয়াদকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গয়াবাড়ী ইউনিয়নে সার ডিলারশিপের জন্য মোট ১০ জন ব্যবসায়ী আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মেসার্স সেকেন্দার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সেকেন্দার আলী, মাবরুক বিজনেস সেন্টারের মো. মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদ, মো. মিজানুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, শ্রী হরিদাস চন্দ্র রায়, মো. দুলাল হোসেন, মো. সোহাগ মিয়া, মো. আবু তাহের সরকার, মো. আব্দুল গাফফার ও মো. লুৎফর রহমান। তবে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিজ্ঞ ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে জোয়াদ ও তার আপন ভাগিনার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, জোয়াদকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার ও ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এছাড়াও, ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় তাকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন নিজের প্রভাব খাটিয়ে তার ছেলে জোয়াদের মালিকানাধীন ‘মাবরুক বিজনেস সেন্টার’-এর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এ ঘটনায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক অভিযোগকারী। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
"সার ডিলার নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে তালিকা গুলো আমাদের কাছে এসেছে। যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা পাঠানো হয়েছে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না সে বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে। রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই বাছাই করার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোনো দায়িত্ব নেই বলেও দাবি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গয়াবাড়ী ইউনিয়ন, ডিমলা উপজেলা, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদ, অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন, মো. ইমরানুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আবেদনকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!