📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে রাতের হামলায় জড়িত দু’বাহিনী: খাবারের দোকানে পরিকল্পনা ও ২০০ হামলাকারী জোগাড়

নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে রাতের হামলায় জড়িত দু’বাহিনী: খাবারের দোকানে পরিকল্পনা ও ২০০ হামলাকারী জোগাড়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে রাতের হামলায় জড়িত দু’টি সন্ত্রাসী বাহিনী। খাবারের দোকানে বৈঠক করে পরিকল্পনা করা হয় এবং প্রায় ২০০ হামলাকারীকে জোগাড় করা হয়। পুলিশ ৭ জন গ্রেপ্তার করেছে, তদন্ত চলছে

ঢাকার ইসিবি চত্বরে অবস্থিত নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে রাতের হামলায় জড়িত দু’টি সন্ত্রাসী বাহিনী। জমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয় খাবারের দোকানে বসে। হামলাকারীদের মধ্যে মিরপুরের ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক ‘কিলার ইব্রাহিম’ ও পল্লবীর মফিজুর রহমান মামুনের বাহিনী প্রধানদের অনুসারীরা ছিল সবচেয়ে বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০০ হামলাকারী পাঁচটি পিকআপে করে এবং হেঁটে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে যায়। রাত সাড়ে ১০টায় মূল ফটকে গুলি ছুড়ে হামলা শুরু হয়।
  • 📌 হামলার পরিকল্পনা করা হয় খাবারের দোকানে। সিসিটিভি ফুটেজে ১৩ জনের বৈঠক ধরা পড়ে, তাদের মধ্যে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 পুলিশ ৭ জন গ্রেপ্তার করেছে, তাদের মধ্যে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হন গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী।
  • 📌 হামলায় অংশ নেন মিরপুরের ‘কিলার ইব্রাহিম’ ও পল্লবীর মফিজুর রহমান মামুনের বাহিনীর সদস্যরা।
  • 📌 হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ঠিকাদার বিকাশ চন্দ্র শাহ। তিনি জমি ও রাস্তার বিরোধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, হামলার দিন দুপুরে ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বৈঠক হয়। বিকেল চারটার দিকে ভাষানটেকের দেওয়ানপাড়া মসজিদের সামনে এবং মানিকদী এলাকায় লোক জড়ো হয়। এই বৈঠকে হামলার পরিকল্পনা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ১৩ জনের বৈঠক ধরা পড়ে, তাদের মধ্যে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। একজন গ্রেপ্তার শাহরিয়ার মাহমুদ, অন্যজন বিকাশ চন্দ্র শাহ। বাকি ১১ জনের শনাক্তকরণ চলছে।

হামলার পরিকল্পনায় জড়িত দু’টি বাহিনী: একটি ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিমের, অন্যটি পল্লবীর মফিজুর রহমান মামুনের। হামলাকারীদের মধ্যে ইব্রাহিমের অনুসারীরা ছিল সবচেয়ে বেশি। এই দুই বাহিনী থেকে হামলার লোক জোগাড়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ঠিকাদার বিকাশ চন্দ্র শাহকে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। সালমান একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, জমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলা ঘটেছে। নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের মালিক নাজিম উদ্দিন ভুঁইয়ার সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ কয়েকজনের। বিরোধসংশ্লিষ্ট জমিতে ভবন নির্মাণের কাজ দেওয়া হয় বিকাশ চন্দ্র শাহকে। কিন্তু নাজিম উদ্দিন রাস্তা দিতে রাজি হননি, যা হামলার সাথে যুক্ত বলে তদন্তকারীরা দাবি করছেন।

"হামলার পরিকল্পনায় কারা জড়িত, কারা অংশ নিয়েছে, কারা অস্ত্র সরবরাহ করেছে—এসব বিষয়ে তদন্ত চলছে। কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউগিনি আবাসন প্রকল্প, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইব্রাহিম (কিলার ইব্রাহিম), মফিজুর রহমান মামুন, বিকাশ চন্দ্র শাহ, সালমান মুক্তাদির, গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ জন হামলাকারী, ১৩ জন বৈঠকে অংশগ্রহণকারী, ৭ জন গ্রেপ্তার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖