📌 নেত্রকোনার বারহাট্টা ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগে মামলা করার জন্য ৩৯ বছর বয়সী নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী, জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাস কারাবাস করতে হবে
নেত্রকোনার বারহাট্টায় মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগে মামলা করার জন্য এক নারীকে আদালত কারাদণ্ড দিয়েছে। নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক মঙ্গলবার বিকেলে রায় ঘোষণা করেন। রায় অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী এই নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাস কারাবাস করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনার বারহাট্টা ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগে মামলা করার জন্য ৩৯ বছর বয়সী নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
- 📌 জরিমানা অনাদায়ে নারীর কারাদণ্ড বাড়ানো হয়েছে আরো তিন মাস
- 📌 ২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট ডিএনএ পরীক্ষায় নারীর দাবির সত্যতা প্রমাণিত হয়নি
- 📌 ২০০৮ সালের ৯ এপ্রিল কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল
- 📌 ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত কামাল উদ্দিনকে ধর্ষণ অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছিল
- 📌 ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি কামাল উদ্দিন পাল্টা মামলা করেন এবং নারীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক মঙ্গলবার বিকেলে রায় ঘোষণা করেন। রায় অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী এই নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নুরুল কবির রায়ের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত নারী আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
২০০৮ সালের ৯ এপ্রিল কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন এক প্রতিবেশী নারী। মামলায় ওই নারী নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করেন। পরে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি প্রায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে ওই নারীর দাবির সত্যতা মেলেনি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত কামাল উদ্দিনকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
পরে মিথ্যা অভিযোগে করা মামলার বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ওই নারীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ওই নারীকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
"২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট ডিএনএ পরীক্ষায় নারীর দাবির সত্যতা প্রমাণিত হয়নি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনার বারহাট্টা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ৩৯ বছর বয়সী বাদী নারী, বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক, কামাল উদ্দিন, নুরুল কবির রায়ের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর, ২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট, ৯ এপ্রিল, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি, এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, তিন মাস কারাবাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!