📌 নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করার জন্য এক নারীর বিরুদ্ধে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছে। একই সঙ্গে সিলেটে চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
নেত্রকোণায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করার কারণে এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছে আদালত। আদালতের রায় অনুযায়ী, অনাদায়ে জরিমানা হলে নারীর কারাদণ্ড আরও তিন মাস বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করার জন্য লিপি আক্তার (৩৯)কে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
- 📌 আদালত লিপিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছে, অনাদায়ে আরও তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
- 📌 ২০০৮ সালে লিপি কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন, কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষায় সন্তানের বাবা না হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।
- 📌 ২০১৯ সালে আদালত কামালকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস দেয়, পরে তিনি মিথ্যা অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে পাল্টা মামলা করেন।
- 📌 সিলেটে গত ১০ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা, অসুস্থতা ও কীটনাশক পানের কারণে।
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী নুরুল কবির রুবেল জানান, মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করার কারণে লিপি আক্তার (৩৯)কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। লিপি নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০০৮ সালে কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন এবং দাবি করেন যে, ধর্ষণের ফলে তিনি আট মাসের সন্তানসম্ভবা। পরে পুলিশ কামালকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি প্রায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন।
সন্তান জন্মের পর ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় যে, কামাল শিশুটির বাবা নন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত কামালকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস দেয়। পরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে কামাল লিপির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। বিচার শেষে আদালত লিপিকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছে। অনাদায়ে জরিমানা হলে কারাদণ্ড আরও তিন মাস বাড়ানো হয়েছে।
সিলেটে গত ১০ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী। মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা, অসুস্থতা এবং কীটনাশক পানের কারণে।
"আজ মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোণা জেলা, বারহাট্টা উপজেলা, বিক্রমশ্রী গ্রাম; সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিপি আক্তার (৩৯), কামাল উদ্দিন, বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক, নুরুল কবির রুবেল, চার শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর (লিপির বয়স), ১০-১৩ অক্টোবর (মৃত্যুকালীন সময়কাল), ৪ জন শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!