📌 নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় সাবেক সেনাসদস্য কাজল মিয়া (৫৫) ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবার আত্মহত্যা নয়, হত্যাকাণ্ডের দাবি জানিয়েছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়ার কথা
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় সকালে একটি কবরস্থানের গাছের মগডালে ঝুলন্ত অবস্থায় সাবেক সেনাসদস্য কাজল মিয়া (৫৫) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সকালে মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাটিয়াম গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ অক্টোবর সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর ইউনিয়নের কবরস্থানে ঝুলন্ত অবস্থায় সাবেক সেনাসদস্য কাজল মিয়া (৫৫) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- 📌 নিহত কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কাটিয়াম গ্রামের জবান আলীর ছেলে ছিলেন
- 📌 পরিবার দাবি করে, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আর্থিক বিরোধের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালানো হয়েছে
- 📌 মোহনগঞ্জ থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মো. হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, ময়নাতদন্তের পর হত্যা-আত্মহত্যা নিশ্চিত হবে
- 📌 নিহত ব্যক্তি গত বুধবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন, পরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরী বাড়ির পেছনের কবরস্থান এলাকায় কাজল মিয়া ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা গাছের মগডালে পা ছড়ানো অবস্থায় দড়িতে ঝুলে থাকা মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাটিয়াম গ্রামের জবান আলীর ছেলে ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর ধর্মপাশার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুর থেকেই কাজল মিয়া নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তার কোনো সন্ধান না পেয়ে মোহনগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তারা বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা আরও দাবি করেন, দুষ্কৃতকারীরা কাজল মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে মরদেহের গলায় দড়ি বেঁধে কবরস্থানের গাছের মগডালে বসিয়ে রেখে গেছে।
"এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।"
এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ উপজেলা, নেত্রকোণা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজল মিয়া (৫৫), মো. হাফিজুর ইসলাম হারুন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর (কাজল মিয়া), ৯ অক্টোবর, ১ নম্বর ইউনিয়ন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!