📌 নাটোরের লালপুরে একটি তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকা অভিযুক্ত আশিক ও তার দুই বন্ধু সংঘবদ্ধভাবে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করে চাঁদাও দাবি ও হুমকি দেওয়ার পর তরুণী অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে
নাটোরের লালপুর উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের ভিত্তিতে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে ঘটনাটি ঘটে লালপুর ডিগ্রি কলেজের সংলগ্ন ফাঁকা বাড়িতে। অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী তরুণীর (২৩) মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘটনার ভিডিও পাঠিয়ে চাঁদাও দাবি ও হুমকি দিয়ে তার পরিবারকে বাধ্য করেন ঘটনাটি প্রকাশ করতে। পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোরের লালপুরে প্রেমের সম্পর্কের ভিত্তিতে তরুণীকে (২৩) সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয় শনিবার বিকালে ফাঁকা বাড়িতে।
- 📌 অভিযুক্ত আশিক (২২), শাকিল ইসলাম বাঁধন (২০) ও কাজল (২২) তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
- 📌 ঘটনার ভিডিও ধারণ করে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে চাঁদাও দাবি ও ইন্টারনেটে ছড়ানোর হুমকি দেয়।
- 📌 ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা চলছে এবং পুলিশের কাছে নিরাপদে আছেন তিনি।
- 📌 অভিযুক্তরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
📰 বিস্তারিত
নাটোরের লালপুর উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের ভিত্তিতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে লালপুর ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন একটি ফাঁকা বাড়িতে ঘটনাটি সংঘটিত হয়। অভিযুক্ত আশিক (২২) ও তার দুই বন্ধু শাকিল ইসলাম বাঁধন (২০) ও কাজল (২২) তিনজনকে পুলিশ রোববার বিকালে আটক করেছে।
ভুক্তভোগী তরুণী (২৩) বলেছেন, তিনি আশিকের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক মাসের সম্পর্কের ভিত্তিতে শনিবার বিকালে লালপুরের গ্রিন ভ্যালি পার্কে প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে যান তিনি। ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে তাকে রিকশায় নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায় আশিক। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল আশিকের দুই বন্ধু। ভুক্তভোগী বলেন, ওই দুই জনের সহযোগিতায় প্রথমে আশিক তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর পালাক্রমে শাকিল ও কাজল জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রিকশায় তুলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
সামাজিক মর্যাদার ভয়ে প্রথমে ঘটনাটি প্রকাশ করেননি ভুক্তভোগী। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা তার মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ঘটনার ভিডিও পাঠিয়ে দেয়। ১৫ হাজার টাকা চাঁদাও না দিলে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর হুমকিও দেয়া হয়। পরে তিনি বাধ্য হয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলেন। পরিবারের মধ্যে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হলে রাতেই লালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
"প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদাও দাবি করেছে।"
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্তরা। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পুলিশের কাছে নিরাপদে আছেন তিনি। সোমবার অভিযুক্ত তিন ব্যক্তিকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালপুর ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন ফাঁকা বাড়ি, গ্রিন ভ্যালি পার্ক, লালপুর, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশিক (২২), শাকিল ইসলাম বাঁধন (২০), কাজল (২২), ভুক্তভোগী তরুণী (২৩)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার টাকা চাঁদাও, ৩ জন অভিযুক্ত, ২৩ বছর ভুক্তভোগী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!