📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে এক বিধবা নারী অভিযোগ করেছেন, সাক্ষাতের লোভ দেখিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলন তাকে বাড়িতে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছেন। অভিযুক্ত পলাতক হয়ে গেছেন। থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক বিধবা নারীর বিরুদ্ধে সাক্ষাতের লোভ দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করার অভিযোগে খুবজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত পলাতক হয়ে গেছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নারী থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে নাটোরের গুরুদাসপুরে এক বিধবা নারী খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগ দেন।
- 📌 সাক্ষাতের লোভ দেখিয়ে তিনি নারীর বাড়িতে নিয়ে গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
- 📌 সকাল সাড়ে ৯টায় অভিযুক্ত তাকে একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং খাটের ওপর ফেলে পোশাক খুলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
- 📌 ধর্ষণ ঘটনার পর নারী ডাক-চিৎকার করলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
- 📌 মনিরুল ইসলাম দোলন পলাতক হয়ে গেছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
- 📌 গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হান্নান বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর থেকে ওই নারী তার বাবা-মায়ের বাড়িতে বসবাস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বিধবা ভাতা ও উপবৃত্তির টাকা একই মোবাইল ফোনের সিমে নিবন্ধন করা এবং আলাদা সিমে টাকা পাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে মনিরুল ইসলাম দোলনের বাড়িতে যান। কথাবার্তার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে জানান, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে ‘কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি’ তাদের বাড়িতে এসেছেন। বাড়ির প্রবেশগেট খোলা থাকায় তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনও তার পিছু নিয়ে ওই বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাড়ির ভেতরে কাউকে দেখতে না পেয়ে নারী ‘মুক্তি’র বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চেয়ারম্যান তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং খাটের ওপর ফেলে তার পরনের পোশাক খুলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ওই নারীর অভিযোগ, তিনি ডাক-চিৎকার করলে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে তিনি গুরুদাসপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মনিরুল ইসলাম দোলনকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান ডেইলি বাংলাদেশকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
"আমি বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাতের লোভ দেখিয়ে তাকে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছেন। তিনি ডাক-চিৎকার করলে পালিয়ে গেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুল ইসলাম দোলন (ইউপি চেয়ারম্যান), বিধবা নারী (ভুক্তভোগী), মো. আব্দুল হান্নান (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ৮:৩০ টা, ৯:৩০ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!