📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় আপিল শুনানি ১৭ নভেম্বর: বিচারিক প্রক্রিয়ার নতুন অধ্যায়

নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় আপিল শুনানি ১৭ নভেম্বর: বিচারিক প্রক্রিয়ার নতুন অধ্যায়

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০১৪ সালের নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাতজন হত্যার মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ আসামির মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা সত্ত্বেও তাদের আপিল চলমান রয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সাতজন হত্যার মামলার আপিল শুনানি ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই মামলায় ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছিল। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত রোববার (১৮ অক্টোবর) এই শুনানির তারিখ ঘোষণা করেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এই তথ্য জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লা লামাপাড়া এলাকায় নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছিল।
  • 📌 নিহতদের মধ্যে ছিলেন নজরুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার চালক ইব্রাহিম।
  • 📌 ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২৬ আসামির মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও বাকি ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন।
  • 📌 হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট রায় দিয়েছিলেন, যেখানে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।
  • 📌 মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন নূর হোসেন, তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা, এমদাদুল হক, হীরা মিয়া, আরিফ হোসেন (অরোজি-১), বেলাল হোসেন, আবু তৈয়্যব আলী, শিহাব উদ্দিন, পূর্ণেন্দু বালা, আলামিন শরীফ ও তাজুল ইসলাম।
  • 📌 ১১ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে নূর হোসেনের ৯ সহযোগীও রয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লা লামাপাড়া এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়েছিল। তাদের মরদেহ তিনদিন পর উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছিলেন নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিম।

মামলায় দুটি বাদী ছিলেন: নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল। ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২৬ আসামির মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও বাকি ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে নূর হোসেন ও র্যাবের তিনজন বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা (তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, আরিফ হোসেন ও মাসুদ রানা) মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

হাইকোর্টের ২০১৭ সালের ২২ আগস্টের রায়ে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। অন্যদিকে, ১১ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যার মধ্যে নূর হোসেনের ৯ সহযোগীও রয়েছেন। এছাড়াও, ৯ জন আসামির বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

"আপিল বিভাগের শুনানি আগামী ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই মামলায় আসামিরা তাদের আপিলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লা লামাপাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, নজরুল ইসলাম, সেলিনা ইসলাম, বিজয় কুমার পাল, নূর হোসেন, তারেক সাঈদ মুহাম্মদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ নভেম্বর (শুনানি তারিখ), ২৭ এপ্রিল (ঘটনার তারিখ), ৭ জন (নিহত), ২৬ জন (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত), ১৫ জন (মৃত্যুদণ্ড বহাল), ১১ জন (যাবজ্জীবন কারাদণ্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖