📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম রুবেল মিয়ার (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি বলেছেন, সেবা করতে গিয়েছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম রুবেল মিয়ার (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি সেবা করতে গিয়েছিলেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) নান্দাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম রুবেল মিয়ার (৩০) গ্রেপ্তার
- 📌 অভিযোগে রুবেল মিয়া বলেছেন, ‘সেবা করতে গিয়েছিলাম’ — কিন্তু ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, তিনি একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন
- 📌 বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালক রফিকুল ইসলামের কথায়, রুবেল মিয়া সন্ধ্যা ৭টায় নারীর কক্ষে ধর্ষণ করেন, পরে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়
- 📌 নান্দাইল মডেল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলামের তথ্য: প্রথমে ধর্ষণচেষ্টা মনে হলেও ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে
- 📌 রুবেল মিয়া জাহাঙ্গীরনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে, স্থানীয় চৈতনখালী মসজিদে ইমামতি করেন
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম রুবেল মিয়ার (৩০) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়ের করেন চর বেতাগৈর মাতৃছায়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালক রফিকুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়েছে, রুবেল মিয়া প্রায়ই বৃদ্ধাশ্রমে থাকা নারী-পুরুষদের সেবা করতে আসতেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমে যান এবং একটি প্রতিবন্ধী নারীকে একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। নারী চিৎকার করলে অন্যরা রুবেলকে আটক করে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন, রুবেল মিয়া এর আগেও একাধিকবার তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে রুবেল মিয়া অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বৃদ্ধাশ্রমে থাকা নারী-পুরুষদের সেবা করতে আমি প্রায়ই সেখানে যেতাম, কিন্তু ওই নারীকে ধর্ষণ করেনি।’
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘প্রথমে ধর্ষণচেষ্টা মনে হলেও ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’
"বৃদ্ধাশ্রমে থাকা নারী-পুরুষদের সেবা করতে আমি প্রায়ই সেখানে যেতাম। তবে ওই নারীকে ধর্ষণ করেনি।"
রুবেল মিয়া জাহাঙ্গীরনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি স্থানীয় চৈতনখালী মসজিদে ইমামতি করেন। ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নান্দাইল উপজেলা, ময়মনসিংহ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রুবেল মিয়ার (৩০), রফিকুল ইসলাম, মো. আজহারুল ইসলাম (ওসি), ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (রুবেল মিয়ার), ৭ টা বাজে (ঘটনার সময়), ৬৭ বছর (শাহেদ আলী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!