📌 মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাঈদ আলীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাঈদ আলীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আশুলিয়া থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সাঈদ আলী মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কার্যালয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাঈদ আলী (মোহাম্মদ আলীর ছেলে) ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার — পুলিশের অভিযোগ: বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ
- 📌 মামলা নম্বর ৮৭ — ১৫ আগস্ট আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় দায়ের
- 📌 আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুজ্জামান সোহাগ জানান: গ্রেপ্তার করা হয়েছে আইনের অধীনে
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে গ্রেপ্তার — পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর
📰 বিস্তারিত
সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আশুলিয়া থানার একটি মামলার ভিত্তিতে পুলিশ সাঈদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বলেন, ‘বিকেলে আশুলিয়া থানা-পুলিশ ও মামলার বাদী কার্যালয়ে এসেছিলেন। এর বাইরে বিস্তারিত কিছু আমার জানা নেই।’
ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে গত ১৫ আগস্ট আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাভারের আশুলিয়া এলাকায় কর্মরত থাকাকালে সাঈদ আলী এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুজ্জামান সোহাগ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য তাঁকে আশুলিয়া থানায় নেওয়া হচ্ছে।’
"আশুলিয়া থানার একটি মামলার ভিত্তিতে পুলিশ সাঈদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিকেলে আশুলিয়া থানা-পুলিশ ও মামলার বাদী কার্যালয়ে এসেছিলেন। এর বাইরে বিস্তারিত কিছু আমার জানা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কার্যালয়, মুন্সীগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাঈদ আলী (মোহাম্মদ আলীর ছেলে), মো. রফিকুল ইসলাম (উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা), শহিদুজ্জামান সোহাগ (আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ (সেপ্টেম্বর), ১৫ (আগস্ট), ৮৭ (মামলা নম্বর), ৯(১) (আইনের ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!