📌 মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় নিজ কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে ৫১ বছর বয়সী এবাদত মীরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিচারক তাহসিন ইফতেখার রায় দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় নিজ কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে ৫১ বছর বয়সী আসামি এবাদত মীরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় মুন্সিগঞ্জের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তাহসিন ইফতেখার রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫১ বছর বয়সী এবাদত মীরকে নিজ কন্যাকে ধর্ষণে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে
- 📌 ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি দক্ষিণ চারিগাঁও আশ্রয়ণ কেন্দ্রে ঘটনা ঘটে; ভুক্তভোগী মেয়ের মা পোশাক কারখানায় কাজ করতেন
- 📌 আসামি ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কন্যাকে ধর্ষণ করতেন; ঘটনার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে তুলে দেন
- 📌 মামলায় ইউনুস ফরাজী বাদী; সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে রায় দেন বিচারক
- 📌 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় নিজ কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে এবাদত মীরের বিরুদ্ধে মামলা ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি দায়ের করা হয়। ঘটনাস্থল দক্ষিণ চারিগাঁও আশ্রয়ণ কেন্দ্র। বিচারক তাহসিন ইফতেখার রায়ে উল্লেখ করেছেন, আসামি ভয় দেখিয়ে নিজের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধর্ষণ করতেন। ঘটনার দিন নিজ ঘরে মেয়েকে ধর্ষণ করার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা আসামিকে হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে তুলে দেন।
মামলায় বাদী হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ইউনুস ফরাজীর। মামলায় সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি ও সার্বিক প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে বিচারক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আল মামুন জানিয়েছেন, তাঁরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
"এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলা, দক্ষিণ চারিগাঁও আশ্রয়ণ কেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এবাদত মীর (৫১), ইউনুস ফরাজী, বিচারক তাহসিন ইফতেখার, আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম ও আল মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ বছর বয়স, ১ লাখ টাকা জরিমানা, ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি, ৭ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!