📌 মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় বিয়ে পড়ানোর কথা বলে কাজী মো. হাবিবুর রহমানকে আটক করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ঘটনায় যুবদল নেতা রাজীব হোসেন ও সহযোগী স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সংগঠন থেকে রাজীবকে বহিষ্কার করা হয়
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিয়ে পড়ানোর কথা বলে কাজী মো. হাবিবুর রহমানকে আটক করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং রাজীব হোসেনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় কাজী মো. হাবিবুর রহমানকে বিয়ে পড়ানোর কথা বলে আটক করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে যুবদল নেতা রাজীব হোসেন (অপুর) ও তার সহযোগী স্বপন
- 📌 পুলিশ তাদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে
- 📌 রাজীব হোসেনকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগী কাজী হাবিবুর রহমানের ছেলে সাংবাদিক নাহিদ হাসান মামলা দায়ের করেন
📰 বিস্তারিত
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায় সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে কাজী মো. হাবিবুর রহমানকে বিয়ে পড়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে মুক্তারপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। রাজীব হোসেন অপুর, স্বপনসহ চার-পাঁচজন মোটরসাইকেলে করে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। এ সময় তার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং চাঁদা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে মুন্সীগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে অভিযুক্তদের দেয়া হয়। টাকা পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন কাজী হাবিবুর রহমান।
স্বপনের স্ত্রী ইতি (২৫) কাজী হাবিবুর রহমানের মাধ্যমে স্বপনকে তালাকনামা প্রদান করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। কাজী হাবিবুর রহমানের ছেলে সাংবাদিক নাহিদ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি থানায় মামলা করেন। সোমবার রাতে রাজীব হোসেন অপুর ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে চাঁদার দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, ‘মামলায় অভিযোগের ভিত্তিতে রাজীব হোসেন অপুর ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
"মামলায় অভিযোগের ভিত্তিতে রাজীব হোসেন অপুর ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
এদিকে, গ্রেপ্তারের পর রাজীব হোসেন অপুরকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা, কাটাখালী ও মুক্তারপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী মো. হাবিবুর রহমান, রাজীব হোসেন অপুর, স্বপন, ওসি মো. তছলিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা, ২৫ বছর (ইতি), ৫ অক্টোবর, ২ টা দুপুর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!