📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুন্সিগঞ্জের অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকায় আটক, গ্রাহকদের ২৫ কোটি টাকার দাবি

মুন্সিগঞ্জের অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকায় আটক, গ্রাহকদের ২৫ কোটি টাকার দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগকে ঢাকার মিরপুরে আটক করা হয়েছে। গ্রাহকদের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনি গ্রেপ্তার হন। ২৫৫ জনের অভিযোগে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৮৪ লাখ টাকা পাওনা দাবি করা হয়েছে

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগকে আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় আটক করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহকদের ২৫ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের অভিযোগে তিনি পালিয়ে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে পুলিশের যৌথ দল তাঁকে তাঁর বোনের বাসায় আটক করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা **শরিফুজ্জামান সোহাগ**কে ঢাকার মিরপুর-১-এর বোনের বাসায় আটক করা হয়েছে।
  • 📌 **২৫৫ জন গ্রাহক** অভিযোগ করেছেন, তাদের মধ্যে **১৮৪ জন রোববার**, **৪৬ জন সোমবার** এবং **২৫ জন মঙ্গলবার** অভিযোগ দিয়েছেন।
  • 📌 অভিযোগে সর্বনিম্ন **১ লাখ** থেকে সর্বোচ্চ **৮৪ লাখ টাকা** পাওনা দাবি করা হয়েছে। আত্মসাতের অর্থের পরিমাণ **২৫ কোটি টাকারও বেশি** হতে পারে।
  • 📌 শ্রীনগর থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ দল আটক পরিচালনা করে।
  • 📌 আজ বুধবার সকালে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার **কামরান হাসান** আটক নিশ্চিত করেন।
  • 📌 ব্যাংকের **মিজানুর রহমান** বলেন, শরিফুজ্জামানকে **৫৪ ধারায়** গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

📰 বিস্তারিত

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখার অফিসার (ক্যাশ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন শরিফুজ্জামান সোহাগ। তিনি গ্রাহকদের জমা স্লিপ ব্যবহার করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক **মো. সরফুদ্দিন**। পরে পুলিশ অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠায়।

মুন্সিগঞ্জ জেলার শাখাগুলোর দায়িত্বে থাকা প্রধান কর্মকর্তা **মিজানুর রহমান** প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা একজনকে অভিযুক্ত করে জিডি করেছি। একই সঙ্গে আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের আরও কেউ জড়িত কি না এবং অর্থের প্রকৃত পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গত শুক্রবার ব্যাংক থেকে একটি জিডি দুদকের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানান নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক **ইসমাঈল হোসেন**। তিনি বলেন, জিডিটি রোববার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। কমিশন পরবর্তী অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে যে নির্দেশনা দেবে, সে অনুযায়ী কাজ করা হবে। এখনো এ বিষয়ে মামলা হয়নি। তাই শরিফুজ্জামানকে **৫৪ ধারায়** গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

"আমরা একজনকে অভিযুক্ত করে জিডি করেছি। একই সঙ্গে আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের আরও কেউ জড়িত কি না এবং অর্থের প্রকৃত পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার মিরপুর-১, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুজ্জামান সোহাগ, কামরান হাসান, মিজানুর রহমান, ইসমাঈল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫৫ জন গ্রাহক, ২৫ কোটি টাকা, ১৮৪ জন (রোববার), ৪৬ জন (সোমবার), ২৫ জন (মঙ্গলবার), ১ লাখ থেকে ৮৪ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖