📌 ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশের বিরোধে পুলিশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির জেরে হামলা ও ভাঙচুর ঘটে। পুলিশ ১১ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, আর ৩০-৪০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ঘটনায় পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী ওরফে টুটুলকে প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশের বিরোধে পুলিশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির জেরে রাতের আঁধারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, আর ৩০ থেকে ৪০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থানার প্রধান ফটক ও পাশের ট্রাফিক বক্সে ভাঙচুরের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুক্তাগাছা থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশের বিরোধে পুলিশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির জেরে রাত ৮টার দিকে লাঠিচার্জ ও ভাঙচুর ঘটে
- 📌 পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী ওরফে টুটুলকে প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আর ৩০ থেকে ৪০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 ঘটনায় থানার পাশের ট্রাফিক বক্সেও ভাঙচুর করা হয়েছে
- 📌 মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে
📰 বিস্তারিত
রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী ওরফে টুটুল মুক্তাগাছা থানায় যান। এ সময় কনস্টেবল বকুল মিয়া তাকে জানান যে, থানার ওসি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে রয়েছেন। তাই তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এ নিয়ে আরিফ রব্বানী ও কনস্টেবল বকুল মিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে রাত ১০টার দিকে একদল লোক লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে থানার প্রধান ফটকের সামনে উপস্থিত হয় এবং সেখানে ভাঙচুর চালায়। ঘটনায় থানার পাশের ট্রাফিক বক্সেও ভাঙচুরের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়।
মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি ঘটার পর থেকেই পুলিশের তদন্ত চলছে এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
"ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। ঘটনাটি ঘটার পর থেকেই তদন্ত চলছে এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুক্তাগাছা থানা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ রব্বানী ওরফে টুটুল (পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক), কনস্টেবল বকুল মিয়া, ওসি কামরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন আসামি, ৩০ থেকে ৪০ অজ্ঞাতনামা আসামি, রাত ৮টা ও ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!