📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহের নান্দাইলে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাত: রসিদ ভুয়া, সঞ্চয়পত্র নেই

ময়মনসিংহের নান্দাইলে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাত: রসিদ ভুয়া, সঞ্চয়পত্র নেই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় অগ্রণী ব্যাংকের একটি এজেন্ট আউটলেটে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। রসিদ ভুয়া এবং সঞ্চয়পত্র ইস্যু না হওয়ার কারণে ৭৫ লাখ টাকারও বেশি টাকা হারিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এজেন্টের মালিক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় অগ্রণী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। এজেন্ট আউটলেটের রসিদ ভুয়া এবং সঞ্চয়পত্র ইস্যু না হওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন গ্রাহক টাকা হারিয়েছেন। এজেন্টের মালিক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 শোভা খাতুন, শামছুন্নাহার ও সোহেল মিয়া সহ বেশ কয়েকজন গ্রাহক রসিদ ভুয়া এবং সঞ্চয়পত্র না হওয়ার কারণে টাকা হারিয়েছেন।
  • 📌 মালিক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং পুলিশের সিআইডি তদন্ত করছে।
  • 📌 অগ্রণী ব্যাংকের তদন্তে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা কোনো দাপ্তরিক নথিতে নেই।
  • 📌 গ্রাহকদের অভিযোগ অনুযায়ী, আত্মসাতের পরিমাণ প্রায় ৭৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের উদং মধুপুর গ্রামের শেয়ালধরা বাজারের অগ্রণী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এজেন্ট আউটলেটের মালিক মাজহারুল ইসলাম ওরফে মিজান। এই আউটলেটটি ২০২০ সালের জুনে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০২৫ সালের ২১ জুন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শোভা খাতুন গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করে দুই লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। তিনি নিরাপদে রাখার জন্য এবং মুনাফার আশায় অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য সেই টাকা জমা দেন। পরে তিনি আরও ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। কিন্তু জমা দেওয়ার পর রসিদ ভুয়া এবং সঞ্চয়পত্র ইস্যু না হওয়ার কারণে তিনি টাকা হারিয়েছেন। শোভা বলেন, “আমি টাকা জমিয়েছিলাম ছেলেকে পড়াশোনা করাতে। এখন শুনছি, আমার টাকা ব্যাংকে জমাই হয়নি।”

নারায়ণপুর গ্রামের শামছুন্নাহারের স্বামী সৌদিপ্রবাসী। তিনি বাড়ি নির্মাণের জন্য স্বামী থেকে ২৪ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। তিনি এজেন্ট শাখায় গত বছরের ৩ মার্চ ১৭ লাখ টাকা এবং ১ এপ্রিল ৭ লাখ টাকা জমা দিয়ে দুটি সঞ্চয়পত্র কেনেন। কিন্তু পরে জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো সঞ্চয়পত্র নেই। চরকাশিনগর গ্রামের আনসার সদস্য সোহেল মিয়া গত বছরের ১৫ এপ্রিল সাড়ে ৯ লাখ টাকা দিয়ে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কেনেন। তাঁরও রসিদ রয়েছে, কিন্তু ব্যাংক জানিয়েছে, সেটি ভুয়া।

অগ্রণী ব্যাংকের কালীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, এজেন্ট শাখাটির কার্যক্রম বন্ধের পর এক গ্রাহক তাঁর হিসাবে টাকা না থাকার অভিযোগ করেন। তদন্তে দেখা যায়, ওই হিসাব থেকে বিভিন্ন সময়ে অন্য হিসাবে টাকা স্থানান্তর ও নগদ উত্তোলন করা হয়েছে। তদন্তে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা কোনো দাপ্তরিক নথিতে নেই। এছাড়া প্রায় ৪৬ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও এফডিআর এবং ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা রসিদের মাধ্যমে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

"পারিবারিক সঞ্চয়পত্রসহ যেসব কাগজ গ্রাহকেরা দেখাচ্ছেন, সেগুলো ব্যবহারের অনুমোদন আমার এজেন্ট শাখার ছিল না। কীভাবে এসব কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে, তা আমি জানি না।"

মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে। ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, আউটলেট কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পরও তথ্য গোপন করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। তারা উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা, সিংরইল ইউনিয়ন, উদং মধুপুর গ্রাম, শেয়ালধরা বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শোভা খাতুন, শামছুন্নাহার, সোহেল মিয়া, মাজহারুল ইসলাম, মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা (আত্মসাতের পরিমাণ), ২ লাখ টাকা (শোভা খাতুনের টাকা), ২৪ লাখ টাকা (শামছুন্নাহারের টাকা), ৯ লাখ টাকা (সোহেল মিয়ার টাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖