📌 ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযানে চোরাকারবারিরা হামলা করে। গুলিতে নিহত হয় মো. রুমান মিয়া। মামলায় আসামি করা হয় ২০-২৫ জনের নামসহ তিনজনকে। বিজিবি দাবি, ধস্তাধস্তিতে গুলি বেরিয়ে যায়।
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সোমবার রাতে চোরাকারবারিরা হামলা করে। গুলিতে নিহত হন স্থানীয় যুবক মো. রুমান মিয়া (২২)। ঘটনাস্থলে মামলা করে বিজিবি এবং মামলায় আসামি করা হয় ২০ থেকে ২৫ জনের নামসহ তিনজনকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. রুমান মিয়া (২২) গুলিতে নিহত হন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাকারবারিরা হামলা করে।
- 📌 মামলায় আসামি করা হয় অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনসহ আতিকুল ইসলাম (৪০) (হালুয়াঘাট) ও আবদুল্লাহ (৩৫) (শেরপুরের নালিতাবাড়ী)।
- 📌 বিজিবি দাবি, ধস্তাধস্তিতে অস্ত্র থেকে গুলি বেরিয়ে যায় এবং রুমান মিয়া গুলিবিদ্ধ হন।
- 📌 স্বজনরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
- 📌 রুমান মিয়া স্থানীয় বাজারের ইজারাদার ছিলেন এবং চোরাচালানে জড়িত ছিলেন না, দাবি করেন তার পরিবার।
📰 বিস্তারিত
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার জলজলিয়া এলাকায় বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযানে চোরাকারবারিরা হামলা করে। বিজিবির ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) কড়াইতলী বিওপির কোম্পানি কমান্ডার নায়েক রফিকুল ইসলাম মামলা করেন। এ ঘটনায় মো. রুমান মিয়া নিহত হন।
বিজিবির সদস্যরা সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ১১১৯ নম্বর সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় এক হাজার গজ দূরে জলজলিয়া এলাকায় ভারত থেকে অবৈধ পথে চারটি গরু জব্দ করেন। ফেরার পথে চোরাকারবারিরা বিজিবি সদস্যদের পথ আটকান। তারা দেশি অস্ত্র, ধারালো রামদা ও বাঁশের লাঠি দিয়ে হামলা করেন। দুটি গরু ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নায়েক রফিকুল ইসলাম সতর্কতামূলক চারটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। কিন্তু চোরাকারবারিরা থামেনি। ধস্তাধস্তিতে অস্ত্র থেকে গুলি বেরিয়ে যায় এবং রুমান মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। অন্য বিজিবি সদস্যদেরও মারধর করা হয়।
নিহত রুমান মিয়ার ছোট ভাই আবু রায়হান বলেন, বিজিবি সদস্যরা রাতে এলাকায় গরু খুঁজছিলেন। রুমান স্থানীয় বাজারের ইজারাদার ছিলেন এবং কোনো চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি দাবি করেন, রুমান বাজার থেকে কেনা গরুর কাগজপত্র দেখাতে গিয়েছিলেন।
"সীমান্ত দিয়ে নিয়মিত গরু আসে। ব্যবসায়ীরা যে সপ্তাহে টাকা দেন না, তখন বিজিবি অভিযান চালায়।" — ভুবনকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল জব্বার
বিজিবির ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ বলেন, চোরাকারবারিরা অতিরিক্ত বেপরোয়া আচরণ করে। ফাঁকা গুলির পরও তারা থামেনি। ধস্তাধস্তিতে গুলি বেরিয়ে যায়। লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিজিবি এ ধরনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। প্রমাণসহ অভিযোগ দিলে সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা, জলজলিয়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রুমান মিয়া (২২), নায়েক রফিকুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ জন (অজ্ঞাতনামা আসামি), ৩৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, ১১১৯ নম্বর সীমান্ত পিলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!