📌 মৌলভীবাজারে চা বিক্রেতা দুরূদ মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাদিক মিয়াকে ১৮ বছর পর মৃত্যুদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার সাতজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নারাইন পাশা গ্রামে চা বিক্রেতা দুরূদ মিয়ার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাদিক মিয়াকে ১৮ বছর পর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এই রায় দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজারে চা বিক্রেতা দুরূদ মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 সাদিক মিয়াকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে
- 📌 মামলার সাতজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০০৮ সালের ১২ জুলাই
- 📌 মামলা দায়ের করেন নিহতের ছেলে মকবুল মিয়া
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নারাইন পাশা গ্রামের বাসিন্দা সাদিক মিয়া ও নিহত দুরূদ মিয়া উভয়েই এই গ্রামের বাসিন্দা। ২০০৮ সালের ১২ জুলাই পাওনা এক হাজার ২৬৩ টাকা চাওয়ায় দুরূদ মিয়াকে হত্যা করেন সাদিক মিয়া। এই ঘটনায় ২০০৮ সালের ১২ জুলাই মৌলভীবাজার মডেল থানায় আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত দুরূদ মিয়ার ছেলে মকবুল মিয়া।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর এই মামলায় বিচার শেষে বিচারক শামসাদ বেগম প্রধান আসামি সাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদানের আদেশ দিয়েছেন। মামলার অপর সাতজন আসামি — তছকির মিয়া, সিরাজ মিয়া, নুরুল ইসলাম, ছাইফুর রহমান, আতাউর রহমান, শফিক মিয়া ও আছার মিয়া — তাদেরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
"পাওনা টাকার জন্য চা বিক্রেতা দুরূদ মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক শামসাদ বেগমের রায় অনুযায়ী প্রধান আসামি সাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, নারাইন পাশা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিক মিয়া (প্রধান আসামি), শামসাদ বেগম (বিচারক), মকবুল মিয়া (নিহতের ছেলে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর (মামলার দৈর্ঘ্য), ২৫ হাজার টাকা (অর্থদণ্ড), ১২ জুলাই ২০০৮ (হত্যাকাণ্ডের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!