📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মনোহরদীতে সতিনকে ফাঁসাতে মা নিজের ২ বছরের মেয়ে হত্যা করে, আদালতে স্বীকারোক্তি

মনোহরদীতে সতিনকে ফাঁসাতে মা নিজের ২ বছরের মেয়ে হত্যা করে, আদালতে স্বীকারোক্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নরসিংদীর মনোহরদীতে সতিন হনুফাকে ফাঁসানোর প্রতিশোধে নিজের ২ বছরের মেয়ে তানজিমাকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করে মা রহিমা। আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে গত ৮ অক্টোবর। এছাড়াও কুষ্টিয়া পলিটেকনিকের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন

নরসিংদীর মনোহরদীতে সতিন হনুফাকে ফাঁসানোর প্রতিশোধ নিতে নিজের ২ বছরের মেয়ে তানজিমাকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করে মা রহিমা ওরফে টুনি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে গত ৮ অক্টোবর বিকেলে খিদিরপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় মেয়ের দাদি ফিরোজা বেগম (৭৫) বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মনোহরদীতে সতিন হনুফাকে ফাঁসানোর প্রতিশোধে মা নিজের ২ বছরের মেয়ে তানজিমাকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করে
  • 📌 রহিমা ওরফে টুনি (২৩) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন
  • 📌 ৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টায় ঘটনাটি ঘটে খিদিরপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে
  • 📌 মরদেহ স্বামীর বাড়ির চৌকিতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়ে যান রহিমা
  • 📌 ৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার হওয়া রহিমাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • 📌 কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত

📰 বিস্তারিত

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে সতিন হনুফাকে ফাঁসানোর প্রতিশোধ নিতে মা নিজের ২ বছরের মেয়ে তানজিমা আক্তারকে হত্যা করেছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে গত ৮ অক্টোবর বিকেলে। নিহত শিশুর নাম তানজিমা আক্তার, যিনি নাজমুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত রহিমা ওরফে টুনি (২৩) নাজমুলের দ্বিতীয় স্ত্রী। ঘটনার আগের দিন ৭ অক্টোবর রাতে রহিমার সঙ্গে সতিন হনুফার পারিবারিক কলহ হয়েছিল। এরপর ৮ অক্টোবর রহিমা নানাবাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে আসেন।

জবানবন্দিতে রহিমা জানান, সতিন হনুফাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয় একটি পুকুরে তানজিমাকে পানিতে ডুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। পরে শিশুটির মরদেহ স্বামীর বসতঘরের একটি চৌকিতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনার দিন রাতে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তানজিমার মরদেহ উদ্ধার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুর রহমান জানান, রহিমা ওরফে টুনিকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি তানজিমাকে পানিতে ডুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশিকুর রহমান বলেন, ৯ অক্টোবর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এছাড়াও, কুষ্টিয়া সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে নতুন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে আয়োজিত মিছিলে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ক্যাম্পাসের হোস্টেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

"সতিন হনুফাকে ফাঁসানোর প্রতিশোধ নিতে আমি নিজের মেয়েকে হত্যা করেছি। ঘটনাটি ঘটে গত ৮ অক্টোবর বিকেলে। আমি মেয়েকে পুকুরে ডুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মনোহরদী উপজেলা, নরসিংদী; কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ক্যাম্পাস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহিমা ওরফে টুনি (২৩), নাজমুল ইসলাম, তানজিমা আক্তার (২), ফিরোজা বেগম (৭৫), মো. আশিকুর রহমান, ওবায়দুর রহমান, জাহাঙ্গীর বাদশা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ বছর (তানজিমার বয়স), ২৩ বছর (রহিমার বয়স), ৭৫ বছর (ফিরোজা বেগমের বয়স), ৮ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ৭ অক্টোবর (কলহের তারিখ), ৯ অক্টোবর (গ্রেপ্তারের তারিখ), ১১ অক্টোবর (হাতাহাতির তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖