📌 মোহাম্মদপুরে ৩৫ কাঠা জমি দখলের চেষ্টায় শতাধিক লোকের হামলায় ভুক্তভোগীরা ১৫ লাখ টাকা, পাঁচটি ল্যাপটপসহ মালপত্র হারান। বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি জমির মালিক নয় এবং হামলায় জড়িত ছিলেন না। পুলিশ ঘটনাস্থলে নিয়ন্ত্রণ নেয়েছে
মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টায় হামলায় শতাধিক লোকের হামলায় ভুক্তভোগীরা ১৫ লাখ টাকা, পাঁচটি ল্যাপটপসহ মূল্যবান মালপত্র হারান। ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার সকালে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের পশ্চিম পাশে চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের রোজ ভিলা এলাকায়। হামলাকারীরা জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধিতার কারণে দখল চেষ্টা করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে ৩৫ কাঠা জমি দখলের চেষ্টায় শতাধিক লোকের হামলায় ১৫ লাখ টাকা, পাঁচটি ল্যাপটপসহ মালপত্র লুট করা হয়
- 📌 হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম ও যুগ্ম সম্পাদক নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার সোহেল মোল্লাসহ কর্মীরা
- 📌 ভুক্তভোগী জয়নাল আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ১৫ লাখ টাকা, পাঁচটি ল্যাপটপ, দুটি এসি ও তিনটি সিসিটিভি ক্যামেরাসহ মালপত্র নিয়ে যায়
- 📌 বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি জমির মালিক নয় এবং হামলায় জড়িত ছিলেন না, তবে কর্মীদের দাবি অস্বীকার করেন
- 📌 ঘটনায় পুলিশ নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং জয়নাল আবেদিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের পশ্চিম পাশে চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের রোজ ভিলা এলাকায় গত শনিবার সকালে শতাধিক লোকের হামলায় জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। হামলাকারীরা জমির পুরোনো টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে এবং পাশের একটি অফিসে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারা নগদ টাকা, ল্যাপটপ, এসি, সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালপত্র ট্রাকে করে নিয়ে যায়। ঘটনায় ভুক্তভোগী জয়নাল আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
হামলাকারীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মোহাম্মদপুর থানার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম ও যুগ্ম সম্পাদক নান্নু, ঢাকা মহানগর উত্তর মোহাম্মদপুর থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার সোহেল মোল্লা এবং কর্মীরা নুর নবী দেওয়ান ও জামাল হোসেন। তারা জমির চারপাশে নতুন করে টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে আশপাশের কয়েকজনকেও মারধর করা হয়। বাড়িতে ঢুকে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি জমির মালিক নয় এবং হামলায় জড়িত ছিলেন না। তিনি বলেন, তিনি স্থাপনা ভেঙে নিচ্ছিলেন, কিন্তু জমির বিষয়ে কিছুই জানেন না। তবে তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কর্মীরা হামলায় জড়িত ছিলেন এবং তাদের মদদ দিয়েছে তৃতীয় একটি পক্ষ। তিনি আরও বলেন, লুটপাটে তার কেনা মালামালও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
"এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আমি কিছুই জানি না। আমি মূলত ওই জমিতে থাকা স্থাপনা আলম হোসেনের ম্যানেজার সাদেকের কাছ থেকে কিনেছি। চার মাস ধরে আমি স্থাপনা ভেঙে নিতেছি। আমি জমির বিষয়ে কিছুই জানি না।"
৩৫ কাঠার জমিটি চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান মো. আলম হোসেনের কাছ থেকে ২০০৪ সালে কিনে নেন হুমায়ুন নামে তাঁর এক স্বজন। সেখানে প্লট ও মার্কেট তৈরি করা হচ্ছিল। প্লট আকারে আরও ২৯ জনের কাছে শেয়ার বিক্রি করা হয়। জায়গাটিতে বর্তমানে শপিং মল তৈরির কাজ চলছিল। তবে ৫ আগস্টের পর আলম হোসেন পলাতক হয়ে যান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মালিকানার বিরোধ রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল ইসলাম (বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক), জয়নাল আব্দুল্লাহ আল মামুন (ভুক্তভোগী), মো. আবুল বাশার সোহেল মোল্লা (বিএনপি সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ কাঠা জমি, ১০০-১৫০ জন হামলাকারী, ১৫ লাখ টাকা, ৫টি ল্যাপটপ, ২৯ জন শেয়ারধারক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!