📌 ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ মোহাম্মদপুরে ভেজাল ওষুধ ও নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শিশুদের সিরাপসহ ৮০০ বোতল ওষুধ ও তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, এই পণ্যগুলি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ মোহাম্মদপুরে একটি গোপন কারখানায় ভেজাল ওষুধ ও নকল প্রসাধনী তৈরির অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে শিশুদের জন্য ব্যবহৃত সিরাপসহ বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ ও তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে ভেজাল ওষুধ কারখানা: গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে মোহাম্মদপুরের একটি ফ্ল্যাটে ভেজাল ওষুধ ও নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানা উন্মোচিত হয়েছে।
- 📌 তিনজন গ্রেপ্তার: আব্দুল্লা আল-মামুন (৪২), মো. সাজু (৩৩) ও মো. সজীব (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 জব্দকৃত পণ্য: ৮০০ বোতল ‘কিডিকেয়ার সিরাপ প্লাস’, ১৯২ বোতল ‘কিডজ ওমেগা লিকুইড’, ১০০ বক্স ক্যাপসুল, ১৫০ বোতল শ্যাম্পু, ৩০০ পাতা ক্যাপসুল ও ৫ কেজি সাদা পাউডারসহ বিভিন্ন ভেজাল ওষুধ ও প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে।
- 📌 তৈরির সরঞ্জাম: ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত তিনটি সিলিন্ডার, দুটি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, একটি ফুয়েল লাগানোর মেশিন, ১০ কেজি পলিথিন ফুয়েল ও লেবেল লাগানোর সাঁচ জব্দ করা হয়েছে।
- 📌 মামলা দায়ের: গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গত মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানার ঢাকা উদ্যান রোডের ব্লক-সি এলাকার একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে শিশুদের জন্য ব্যবহৃত সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের ভেজাল ওষুধ ও অনুমোদনহীন প্রসাধনী রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “উদ্ধার হওয়া ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ, বিশেষ করে শিশুদের জন্য ব্যবহৃত পণ্য, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এসব পণ্যের উৎস, প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারীদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।”
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে জব্দকৃত পণ্যগুলির মধ্যে রয়েছে ৮০০ বোতল ‘কিডিকেয়ার সিরাপ প্লাস’, ১৯২ বোতল ‘কিডজ ওমেগা লিকুইড’, ১০০ বক্স ক্যাপসুল, ১৫০ বোতল শ্যাম্পু, ৩০০ পাতা ক্যাপসুল ও ৫ কেজি সাদা পাউডার। এ ছাড়া লেবেলবিহীন সিরাপের বোতল, খালি মোড়ক, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল সেল এবং বিভিন্ন প্যাকেজিং সামগ্রীও জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত তিনটি সিলিন্ডার, দুটি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, একটি ফুয়েল লাগানোর মেশিন, ১০ কেজি পলিথিন ফুয়েল, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও লেবেল লাগানোর সাঁচও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, এই পণ্যগুলি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
"উদ্ধার হওয়া ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ, বিশেষ করে শিশুদের জন্য ব্যবহৃত পণ্য, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লা আল-মামুন (৪২), মো. সাজু (৩৩), মো. সজীব (২৬), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০০ বোতল সিরাপ, ১৯২ বোতল লিকুইড, ১০০ বক্স ক্যাপসুল, ১৫০ বোতল শ্যাম্পু, ৩০০ পাতা ক্যাপসুল, ৫ কেজি পাউডার, ১০ কেজি পলিথিন ফুয়েল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!