📌 কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীরের হত্যার মামলায় ভাইরাল হওয়া একটি ফোনালাপে হত্যাকারী হেলাল আলমগীর শিকদারের নাম উল্লেখ করেছেন। তবে আলমগীর দাবি করেছেন, এটা ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপি নেতা জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের হত্যার মামলায় ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ফোনালাপে হত্যাকারী হেলালের দাবি উঠেছে যে, জাহাঙ্গীরের হাত কেটে ফেলার কাজের জন্য তাঁদের ভাড়া করেছিলেন জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই আলমগীর শিকদার। তবে আলমগীর দাবি করেছেন, এটা ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ জুলাই রাতে মিঠামইনে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীরের হত্যার ঘটনায় ভাইরাল হওয়া একটি ফোনালাপে হত্যাকারী হেলাল দাবি করেছেন, জাহাঙ্গীরের হাত কেটে ফেলার কাজের জন্য তাঁদের ভাড়া করেছিলেন আলমগীর শিকদার।
- 📌 ফোনালাপে হেলাল বলেছেন, তাঁরা পেশাদার খুনি নন, বরং চুরি ও মাদকাসক্তির কারণে টাকার লোভে এ কাজে জড়িয়েছিলেন। জাহাঙ্গীরকে হত্যা করা ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য না।
- 📌 হেলালের দাবি, তাঁর বন্ধু রিয়াজের মাধ্যমে খোকা ভাইয়ের মাধ্যমে আলমগীরের নাম তাঁদের কাছে আসে। তবে কারাগারে খোকা ভাই তাঁদের গালাগালি করে আলমগীরের নাম না বলার নির্দেশ দেন।
- 📌 ফোনালাপে হেলাল উল্লেখ করেছেন, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তিনি আলমগীরের নাম বলেছেন। তবে আলমগীর দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই এবং এটা ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৮ জুলাই জাহাঙ্গীরের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে মামলার তদন্ত জেলা গোয়েন্দা শাখায় হস্তান্তর করা হয়।
📰 বিস্তারিত
গত ১৫ জুলাই রাতে মিঠামইনে নিজ বাড়ির সামনে বিএনপি নেতা জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৮ জুলাই জাহাঙ্গীরের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার চৌধুরী বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব থানা-পুলিশ থেকে জেলা গোয়েন্দা শাখায় হস্তান্তর করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর জনতার হাতে আটক হেলালের সঙ্গে তাসলিমা আক্তার চৌধুরীর ৯ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফোনালাপে হেলাল দাবি করেন, জাহাঙ্গীরকে হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, তাঁর হাত কেটে ফেলার জন্য তাঁদের ভাড়া করা হয়েছিল। তিনি বলেন, তাঁরা পেশাদার খুনি নন, বরং চুরি ও মাদকাসক্তির কারণে টাকার লোভে এ কাজে জড়িয়েছিলেন।
ফোনালাপে হেলাল আরও বলেন, তাঁর বন্ধু রিয়াজের সঙ্গে খোকা ভাইয়ের মাধ্যমে আলমগীর শিকদারের কথা হয়। আলমগীরের একজন লোক তাঁদের খাওয়াদাওয়ার খরচ দিতেন। ওই ব্যক্তিকে অন্য এলাকার লম্বা, কালো ও বিশালদেহী একজন সদস্য হিসেবে বর্ণনা করলেও নাম বলতে পারেননি হেলাল। ফোনালাপে হেলাল আরও উল্লেখ করেন, কয়েক দিন আগে কারাগারে খোকা ভাই তাঁদের গালাগালি করে আলমগীরের নাম কেন বলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আলমগীরের নাম বলেছেন বলেও ফোনালাপে উল্লেখ করেন।
তাসলিমা আক্তার চৌধুরী ফোনালাপের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এলাকার একজনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, কারাগার থেকে একজন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান। পরে হেলালের সঙ্গে তাঁর কথা হয় বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘সে কিভাবে আসছে, কে আনছে—সবকিছু বলেছে। আলমগীর ভাড়া করে এনেছে, এটাও বলেছে।’ আলমগীর শিকদারের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানান তাসলিমা আক্তার চৌধুরী।
"আলমগীর ভাড়া করে এনেছে, এটাও বলেছে। তাঁরা পেশাদার খুনি নন, টাকার লোভে এ কাজে জড়িয়েছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিঠামইন উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহাঙ্গীর (বিহীন), হেলাল, আলমগীর শিকদার, তাসলিমা আক্তার চৌধুরী, রিয়াজ, খোকা ভাই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জুলাই (হত্যাকাণ্ডের তারিখ), ১৮ জুলাই (মামলা দায়ের), ৯ মিনিট ১৮ সেকেন্ড (ফোনালাপের দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!