📌 মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আট আসামিকে আদালত তিন দিনের রিমান্ডে নেয়। মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে চার দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। হামলাকারীরা ওষুধ, যন্ত্রপাতি ও সম্পত্তি লুট করে নিয়ে যায়
মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র ‘রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে’ মধ্যরাতে সংঘটিত হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আট আসামিকে আদালত তিন দিনের রিমান্ডে নেয়। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার আদেশ দেন। এই ঘটনায় মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে চার দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টায় হামলা-ভাঙচুর; হামার ও লাঠি দিয়ে প্রহরীদের মারধর করা হয়
- 📌 ভাঙচুর ও লুটপাটের পর আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, কম্পিউটার, ওষুধ ও অন্যান্য সম্পত্তি চুরি করা হয়
- 📌 আট আসামিকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে; তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ৩৩ বছর, সর্ববয়স্ক ৫৮ বছর
- 📌 মামলায় মোট ১৪ জন গ্রেপ্তার; আসামিরা হলেন শাহাদাত হোসেন (৩৩), কাজী মকবুল হোসেন (৫৮), শাহ আলম (৫৩), আতিকুর রহমান (৩৩), কামরুল ইসলাম (৫২), নুর আলম (৩৯), রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ (৩৫) ও সাজ্জাদ হোসেন (৩৬)
- 📌 হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে; পরিবার পরিকল্পনা ও ক্লিনিক ইনচার্জের ঘর ভাঙচুর করা হয়
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র ‘রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে’ গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা হ্যামার ও লাঠি দিয়ে দায়িত্ব পালনরত দুই নৈশপ্রহরীর মারধর করে বেঁধে রাখে। পরে তারা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ভেঙে একটি ভেকু নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। ভেতরে ঢুকে তারা পরিবার পরিকল্পনা সেবার ঘর, ক্লিনিক ইনচার্জের ঘর এবং চিকিৎসকদের সেমিপাকা ঘর ভাঙচুর করে। এছাড়াও আলট্রাসনোগ্রাম, টিকাদান ও ল্যাবরেটরি কক্ষের পাকা ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়।
হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ওষুধ ও সামগ্রী, দুটি আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন, একটি জেনারেটর, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি এবং তিনটি স্টিলের আলমারি লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় নৈশপ্রহরীদের নানা ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। পরে তারা সেখানে একটি সমবায় সমিতির ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগিয়ে চলে যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহ আলী থানার এসআই মো. আতোয়ার রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার বৃহস্পতিবার শুনানির পর প্রত্যেক আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই লুৎফর রহমান প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, ৪ অক্টোবর আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
"আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু আদালত তিন দিনের রিমান্ডে নেয়। মামলায় মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে আটজনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আতোয়ার রহমান (তদন্ত কর্মকর্তা), নাজমিন আক্তার (ম্যাজিস্ট্রেট), লুৎফর রহমান (প্রসিকিউশন এসআই), নাসরিন আখতার (ক্লিনিক নির্বাহী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ জন গ্রেপ্তার, ৮ জন রিমান্ডে, ৩ দিনের রিমান্ড, ২৫ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৪ অক্টোবর (রিমান্ড আবেদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!