📌 মিরপুর-১ এলাকার পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চাঁদা দাবিতে মালিকদের মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। অভিযোগে জড়িতদের মধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা রয়েছেন
মিরপুর-১ এলাকায় লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চাঁদা দাবিতে মালিকদের মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইয়াকুব আলী ও অন্যান্য মালিকদের গত ৫ অক্টোবর মারধর করা হয় এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুর-১ এলাকার পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ৬০-৭০ জনের একটি গোষ্ঠী মাসে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে।
- 📌 ইয়াকুব আলী ও অন্যান্য মালিকদের গত ৫ অক্টোবর ১১টার দিকে মারধর করা হয় এবং আগ্নেয়াস্ত্রের হুমকি দেওয়া হয়।
- 📌 মারধরের পর ইয়াকুব আলীকে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়, কিন্তু অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি।
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতারা রয়েছেন, যারা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা আদায় করছেন।
- 📌 দারুস সালাম থানার ওসি দুলাল হোসেন বলেছেন, অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট ভিত্তি না থাকায় তা গ্রহণ করা হয়নি।
📰 বিস্তারিত
বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইয়াকুব আলী গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে লেগুনার চালক গাড়িতে সমস্যার কথা জানালে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা প্রতি গাড়ি থেকে ৩০০ টাকা চাঁদা দিতে বললে তিনি ও অন্যান্য মালিকদের মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরায় আগ্নেয়াস্ত্র বের করার দৃশ্য দেখা গেছে। ইয়াকুব আলী বলেন, মারধরের পর তাঁকে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে তিনি মুক্তি পেয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।
ইয়াকুব আলী জানান, মারধরের পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে আদালতে পাঠানো হলেও চাঁদাবাজির অভিযোগের পক্ষে তথ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় তিনি মুক্তি পান। পরে তিনি পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। দারুস সালাম থানার ওসি দুলাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মারধরের সময় ইয়াকুব আলীকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। জামিনের পর থানায় অভিযোগ দিতে আসেন। তাঁর অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট ভিত্তি নেই বলে অভিযোগ নেওয়া হয়নি।
বিপ্লব, সোলেমান দেওয়ান, ফারুক হোসেন, মহব্বত আলী, মাভেল ভূঁইয়া, তৈয়ব আলী, আলমগীর হোসেন, কানা পলাশ, রাসেল, শামীম, মজিবর রহমানসহ ৬০ থেকে ৭০ জন এই কাজের সঙ্গে জড়িত। সাইদুর রহমান, বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক, বলেন, অভিযুক্তদের বেশির ভাগই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতা। তাঁদের মধ্যে সোলেমান দেওয়ান শাহ আলী থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, মহব্বত আলী দারুস সালাম থানা শ্রমিক দলের বর্তমান সদস্যসচিব এবং মাভেল ভূঁইয়া শাহ আলী থানা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক।
"মারধরের পর তাঁকেই চাঁদাবাজ সাজিয়ে দারুস সালাম থানা–পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। মারধরে অসুস্থ হয়ে পড়ায় পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর-১, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াকুব আলী, সাইদুর রহমান, ওসি দুলাল হোসেন, সোলেমান দেওয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ টাকা (প্রতি গাড়ি), ৬০-৭০ জন (জড়িত ব্যক্তি), ৫ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!