📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র ভাঙচুরে ১২ জন গ্রেপ্তার, লুটপাটের মালামাল উদ্ধার

মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র ভাঙচুরে ১২ জন গ্রেপ্তার, লুটপাটের মালামাল উদ্ধার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে রাতের অন্ধকারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। লুট হওয়া টিন, স্টিল দরজা, ফ্রিজ, টিকা, রেজিস্টার খাতা ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় এক কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে রাতের অন্ধকারে সংঘটিত ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শাহ আলী থানার পুলিশ গতকাল রোববার রাতে কেরানীগঞ্জের গুদারাঘাট থেকে মো. মিন্টু (৩৫) ও মো. মিলন (৪০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভাঙচুর ও লুটপাটে ১২ জন গ্রেপ্তার
  • 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে লুট হওয়া টিন, স্টিল দরজা, ফ্রিজ, টিকা ও রেজিস্টার খাতা উদ্ধার
  • 📌 ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রাখা ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া
  • 📌 ঘটনায় এক কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি, মামলা দায়ের করেছেন নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার
  • 📌 ঘটনাস্থলে কারা এক্সক্যাভেটর এনেছিলেন তা তদন্ত চলছে

📰 বিস্তারিত

মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে (রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার) গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে সংঘটিত ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের তদন্তে এগিয়ে এসেছে। শাহ আলী থানার পুলিশ গতকাল রোববার রাতে কেরানীগঞ্জের গুদারাঘাট থেকে মো. মিন্টু (৩৫) ও মো. মিলন (৪০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মিন্টুর কাছ থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিনসহ কিছু মালামাল ও মিলনের কাছ থেকে স্টিলের দরজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে মো. সোহেল (২২), মো. জুয়েল (২৩), জিহাদ হাসান (২১) ও মো. রাব্বি (২০) নামের চার তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুয়েল শাহ আলী বাগের করলাপাড়ায় বাস করতেন। অন্য তিনজন শাহ আলী মাজার এলাকার ভাসমান তরুণ। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হয় ছয়জন — মো. শাহাদাত হোসেন (৩৩), কাজী মকবুল হোসেন (৫৮), মো. শাহ আলম (৫৩), মো. আতিকুর রহমান (৩৩), মো. কামরুল ইসলাম (৫২) ও মো. শাকিল (২০)। পাঁচজনকে শাহবাগ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং অন্যজনকে শাহ আলী থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

ভাঙচুরের ঘটনায় মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢুকে প্রথমে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে। এরপর মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, ভ্যাকসিন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে কারা এক্সক্যাভেটর এনেছিলেন এবং নেতৃত্বে কে বা কারা ছিলেন, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

দারুসসালাম থানার বেড়িবাঁধসংলগ্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের লুট হওয়া আসবাব, টিকা, রেজিস্টার খাতা, ফ্রিজ, অফিসের কাগজপত্র, প্রিন্টার, জেনারেটরসহ ৪৬ ধরনের মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। মালামাল বহনকারী দুটি কাভার্ড ভ্যানও আটক করা হয়েছে। ঘটনায় বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় মামলা করেছেন রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনায় এক কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

"সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে এ ভাঙচুর চালানো হয়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মিন্টু (৩৫), মো. মিলন (৪০), ডা. নাসরিন আখতার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন গ্রেপ্তার, ৪৬ ধরনের মালামাল উদ্ধার, এক কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖