📌 মিরপুরের মামুন বাহিনী নেতৃত্বে চারজন বিদেশি সন্ত্রাসী মিলে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করছে। আবাসন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর ২৮ কাঠা জমি দখল করে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের তালিকায় মামুনের নাম রয়েছে চাঁদাবাজি, মাদক ও জমি দখলের অভিযোগে
মিরপুরের অপরাধী বাহিনী মামুন বাহিনী নেতৃত্বে চারজন বিদেশি সন্ত্রাসী মিলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। আবাসন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর ২৮ কাঠা জমি গত ৩০ এপ্রিল রাতে বাহিনীর সদস্যরা বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করে দখল করে নিয়েছে। মামুন বাহিনীর নেতা মফিজুর রহমান মামুনের ভাই মশিউর রহমান মোহাম্মদ আলীকে ফোন করে জমিতে যেতে নিষেধ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুরের মামুন বাহিনী নেতৃত্বে চারজন বিদেশি সন্ত্রাসী মিরপুরের পল্লবী, মিরপুর-১২, সাগুফতা ও বাউনিয়া এলাকায় চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা, জমি দখল ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- 📌 আবাসন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর ২৮ কাঠা জমি গত ৩০ এপ্রিল রাতে বাহিনীর সদস্যরা বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করে দখল করে নিয়েছে। জমির মূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা।
- 📌 মামুন বাহিনীর নেতা মফিজুর রহমান মামুন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তাঁর দুই ভাই মো. জামিল রহমান ও মশিউর রহমান দেশে বসে বাহিনী পরিচালনা করছেন।
- 📌 পুলিশের তালিকায় মামুনের নাম রয়েছে চাঁদাবাজি, খুন, মাদক, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও ডাকাতির অভিযোগে।
- 📌 মিরপুরের সাতটি থানা এলাকায় ৭২ চাঁদাবাজের নাম রয়েছে। তাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে মামুন ও তাঁর দুই ভাইয়ের নাম রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মিরপুরের পল্লবী থানার আওতাধীন বাইগারটেক এলাকায় অবস্থিত মোহাম্মদ আলীর ২৮ কাঠা জমি গত ৩০ এপ্রিল রাতে একদল সন্ত্রাসী বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করে দখল করে নিয়েছে। মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে জানান, তাঁর জমির মূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা। মামুন বাহিনীর সদস্যরা জমিটি দখল করে নিয়েছে। মামুনের ভাই মশিউর রহমান তাঁকে ফোন করে জমিতে যেতে নিষেধ করেছেন।
মিরপুরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চারজন বিদেশি সন্ত্রাসী কাজ করছেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৯১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজুর রহমান মামুন। তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তাঁর দুই ভাই মো. জামিল রহমান ও মশিউর রহমান দেশে বসে বাহিনী পরিচালনা করছেন। পুলিশের তালিকায় মামুনের নাম রয়েছে চাঁদাবাজি, খুন, মাদক, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও ডাকাতির অভিযোগে।
মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় চারটি বাহিনী কাজ করছে। মামুন বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছেন মফিজুর রহমান মামুন। ভাষানটেক থানা বিএনপির ১ নম্বর আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার ইব্রাহিম’ মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ভাষানটেক ও কালশী এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করেন। পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহাদত হোসেন মিরপুর-১, মিরপুর-২ ও মিরপুর-৬ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করেন। আরেকজন সন্ত্রাসী মোক্তার মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ করছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামুন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রেপ্তার হন। তখন পুলিশ জানিয়েছিল, ২০০১ সালে কারাভোগের পর ২০০৪ সালে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যান মামুন। পাসপোর্ট জালিয়াতি ও অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার হন তিনি এবং ১০ বছর সাজা ভোগ করেন। কারাভোগ শেষে ভারতে বসেই মিরপুরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতেন। বাংলাদেশে আসার পরপরই মামুন গ্রেপ্তার হন। জামিন পেয়ে পালিয়ে যান তিনি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তাঁর প্রভাব বেড়েছে।
"আমার জমির দাম প্রায় ২৫ কোটি টাকা। মামুন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা সে জমি দখল করে নিয়েছে। মামুনের ভাই মশিউর রহমান আমাকে ফোন করে জমিতে যেতে নিষেধ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক, কালশী, মিরপুর-১, মিরপুর-২, মিরপুর-৬, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, সাগুফতা, বাউনিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আলী, মফিজুর রহমান মামুন, মো. জামিল রহমান, মশিউর রহমান, মো. ইব্রাহিম (কিলার ইব্রাহিম), শাহাদত হোসেন, মোক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ কাঠা জমি, ২৫ কোটি টাকা, ৯১ নম্বর ওয়ার্ড, ১ নম্বর আহ্বায়ক, ১০ বছর কারাবাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!